হয়রত মখদুম শাহদৌলা শহীদ ইয়ামেনী (রহঃ)‘র মাজার ও মসজিদ
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

  

হয়রত মখদুম শাহদৌলা শহীদ ইয়ামেনী (রহঃ)‘র মাজার ও মসজিদ

দিলীপ গৌর
১৯-১১-২০২০ ০৫:৪০ অপরাহ্ন
হয়রত মখদুম শাহদৌলা শহীদ ইয়ামেনী (রহঃ)‘র মাজার ও মসজিদ

শাহজাদপুর প্রতিনিধি : ইসলাম প্রগতি ও শান্তির ধর্ম। বিশ্ময়কর এই প্রচার প্রসারে যাদের অবদান অবস্মরণীয় হয়ে থাকবে তাদের মধ্য মাশায়েখ উলামা এবং প্রচারকদের পাশাপাশি সুলতান ও বাদশাদের ভ‚মিকার আলাদা আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। দুনিয়ার নানা স্থানের ন্যায় ইসলাম প্রচারে রাজকীয় দিকটা বিশেষভাবে উল্লেখ্য যোগ্য। ইউরোপে ইসমালী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার অনেক আগেই ভাতরবর্ষে ইসলাম প্রচারে মুসলমানদের আগম ঘটে।

তেমনি একটি স্থান বঙ্গদেশের রাজা বিক্রম কেশরী অধিনস্থ বর্তমান নাম “শাহজাদপুর” সিরাজগঞ্জ জেলাধীন। যমুনা করতোয়া, বড়াল এই তিন নদীর মিলন স্থান উত্তরবঙ্গের দ্বারপিঠ, নানা গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহীজনপদের নাম শাহজাদপুর। বাংলার সামাজিক-সাংস্কৃতি ইতিহাসে শাহজাদপুরের খ্যাতি দুই কারণে ইসলামিক সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র ও প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে শাহজাদপুরের মাটি যাদের জন্য ধন্য তাঁদের অন্যতম ও প্রধান মুখদুম শাহদৌলা ইয়ামেনী (রহঃ)।

যিনি চির নিদ্রায় সায়িত আছেন এই মাটিকে আলোকিত করে। করতোয়া নদীর পারে প্রাচীন স্থাপন্যশৈলী নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে স্মৃতি। প্রাচীন সভ্যতায় নৌপথ ছিল যোগাযোগের প্রধান পথ। ওই পথ ধরে আগমন ঘটেছে এতদাঞ্চলের প্রাণ পুরুষ, যুগ শ্রেষ্ঠ ওলি শাহাজাদা মখদুম শাহদৌলা ইয়ামেনী (রহঃ)‘র। তাঁর নাম অনুসারেই এই স্থানের নাম হয়েছে শাহজাদপুর। মখদুম কোন ব্যক্তি বিশেষের নাম নয়, এটি সাধক অর্থে ব্যবহৃত বিশেষণ জাতীয় শব্দ।

এর প্রমাণ মেলে চতুর্দশ-পঞ্চদশ শতাব্দীতে আরব ও পারস্য থেকে আগত এই দেশের আর কতিপয় সাধকের নামের পূর্বে মখদুম শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উলেখ্য, রাজশাহীতে হযরত শাহ মখদুম (রহঃ), দিনাজপুরের হেমতবাদে মখদুম পীরের মসজিদের নামকরণ, বিহারের মুঙ্গের অবস্থিত মখদুম সাহেবের মাজার। এ তাপস ওলির আগমনকে কেন্দ্র করে নানান জনশ্রæতি রয়েছে এ অঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে।

ঐতিহাসিক পরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর মতে লক্ষনসেনের সময় মখদুম (মকদম) শাহজালাল উদ্দিন তাব্রেজী গৌড় আগমন করেন। তিনি একজন সাধু পুরুষ ছিলেন। তাঁর সৌন্দর্য হিন্দুগণ মুগ্ধ হয়েছিলেন, তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা সমন্ধে নানা গল্প শেখ শুভ দেয়া গ্রন্থে বিবৃত আছে। লক্ষনসেন তাঁকে আন্তরিক স্নেহ করতেন এবং তাঁর প্রতিপালনে বহু ভূ-সম্পত্তি দান করেছিলেন।

এসব সম্পত্তি বাইস হাজারি নামে পরিচিত। ড. হক মখদুম শাহদৌলা সম্পর্কে ‘পূর্ব পাকিস্তানে ইসলাম’ গ্রন্থে উলেখ করেন পাবনা জেলার শাহজাদপুরে ১২৯৮ খ্রিঃ কিছুটা অগ্রবর্তী সময়ে এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচার হচ্ছিল। মখদুম শাহদৌলা নামে একজন ‘অয়ন’ (ইয়ামেন) দেশ ধর্ম প্রচারক বহু অনুচর সহ এখানে  এসেছিলেন। তাঁদের আগমনে কিছুদিন পর তদানিন্তন স্থানীয় হিন্দু রাজার সাথে তাঁদের বিবাদ ও যুদ্ধ হয়।

ফলে স্থানটি মুসলমান কর্তৃক বিজিত হলেও যুদ্ধে শাহদৌলা (রহঃ) শহীদ হলেন। তিনি ১২৫০ খ্রিষ্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে জীবিত ছিলেন। তাঁর শাহাদৎ প্রাপ্তির পর তাঁর আরদ্ধ্য ধর্ম প্রচারের কাজ বন্ধ হয়ে যায় নাই। তাঁর অনুসারীরা সমূৎসারে তাঁর অসমাপ্ত কাজ সমাধা করেছিলেন। ফলে পাবনা ও বগুড়ার বহু অল্প সময়ের মধ্যে ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে।

Antiquities and Traditions of Shahjadpur প্রবন্ধে আব্দুল ওয়ালী সাহেবের লেখা এবং এ অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে লোক মুখে যে জনশ্রæতি রয়েছে তা প্রায় হুবহু। ইয়ামেনের শাসনকর্তা মোয়াজ-ইবনে জাবাল এর বংশধর হযরত মখদুম শাহদৌলা শহীদ ইয়ামেনী (রহঃ) শুদুর ইয়ামেন থেকে ইসলাম ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে ১২৫০ খ্রিষ্টাব্দের কিছু পূর্বে নিজ দেশ ত্যাগ করেন।

সঙ্গে ছিলেন তাঁর তিন ভাগ্নে কালীন দানিশমন্দ (রহঃ), খাজা নূর (রহঃ), খাজা আনওয়ার (রহঃ)। তাঁদের মাতা মখদুম (রহঃ)‘র বোন, ১২ জন প্রসিদ্ধ দরবেশ এবং কিছু সংখ্যক সহচর। তাঁরা সবাই ৭টি মতান্তরে ৪০টি জাহাজ/নৌকা যোগে নদীপথে রওনা হয়ে বোখারায় পৌঁচে সেখানকার সাধক সুফী জালাল উদ্দিন বোখারী (রহঃ)‘র সাথে সাক্ষাৎ করে কিছু সময় অতিবাহিত করার পর বাংলার এই অঞ্চলের আগমন করেন।

হযরত জালাল উদ্দিন বোখারী (রহঃ) তাঁহাকে একজোড়া ধূসর বর্ণের কবুতর উপহার দেন যা জালালী কবুতর নামে পরিচিত। সুদীর্ঘ নদীপথ অতিক্রমের পর অভিযাত্রী দলটির জাহাজ এক স্থানে এস ঠেকে যায়। যার বর্তমান নাম পোতাজিয়া (পোত অর্থ নৌকা আওজিয়া অর্থ ভিড়ানো) তাই ওই স্থানটির নাম পরবর্তীতে পোতাজিয়া নামকরণ হয়। হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ)‘র মাজার ও মসজিদে দুই মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে এ স্থানটি অবস্থিত।

সমগ্র স্থানটি তখন ছিলো পানির নিচে, কোনদিকেই স্থল ভাগের চিহ্ন ছিল না। বোখারী কবুতর গুলি সকালে জাহাজ ত্যাগ করে সন্ধায় ফিরে আসতো। কয়েকদিন পরে জাহাজের লোকজন কবুতরের পায়ে পলিমাটি ও বালির সন্ধান পেয়ে অদূরে কোথাও চর জেগেছে ধারণায় কয়েকজন একটি ডিঙ্গি নৌকায় করে কবুতরকে অনুসরন করে একটি চরে পৌছায়।

পানি ক্রমশ সরে যেতে থাকায় চরটি প্রশস্থ হতে থাকে এবং চর এলাকাটিই পরবর্তীতে হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ)‘র নাম অনুসারে শাহজাদপুর নাম ধারণ করে। হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) এ অঞ্চলে আগমন করে ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু করলে তৎকালীন সুরে বিহারের অমুসলিম অধিপতি রাজা বিক্রম কেশরী তাঁর আগমনে শংকিত হয়ে বার বার সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করে পরাস্ত হয়।

শেষ যুদ্ধে পরাজিত বন্দীদের একজন গুপ্তঘাতক ইসলাম ধর্ম গ্রহণের নামে হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) এর অত্যন্ত নিকটে স্থানলাভ করে। একদিন হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) আছরের নামাজ আদায়কালে সিজদারত অবস্থায় তাঁক মস্তক দেহ হতে বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে নিজ দলে পালিয়ে যায় ওই ঘাতক। পরে সুরে বিহারের রাজধানী মঙ্গলকোট মন্তান্তরে মহালকোটে রাজার নিকট নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর মস্তক।

রাজার সামনে কর্তিত মস্তক  উপস্থিত করলে ওই ঘটনা বর্ণনামতে নামাজ পড়ারত অবস্থায় হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ)‘কে হত্যা করা হয়েছে শুনে রাজা দুঃখিত ও ক্ষিপ্ত হন। সে সময় মুখ মÐল থেকে অলৌকিক জ্যোতি লক্ষ্য করেন এবং ঐ গুপ্তঘাতকের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। রাজার স্থানীয় মুসলমানদের ডেকে তাঁর মস্তক সমাহিত করার নির্দেশ দেন। রাজার প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান সেনাপতি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ)‘র মস্তক যে স্থানে সমাহিত করা হয় তার ‘ছের মোকাম’ বলে পরিচিত। অন্যদিকে হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ)‘র মস্তকবিহীন দেহ মোবারক শাহজাদপুর মসজিদের দশরশি দক্ষিণে তাঁর জীবিত ভাগ্নে শাহ নূর (রহঃ) এবং অন্যান্য অনুচরগণ দাফন করেন পাথরের কফিনের মধ্যে। পরে কফিনটি সরিয়ে বর্তমান স্থানে সমাহিত করা হয় হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) ও তাঁর ভাগ্নেদের মাজার ছাড়াও শাহজাদপুরে আরও ১৮টি মাজার রয়েছে।

সেগুলোর ১২টি মাজার দরবেশগণের নাম হযরত শামসুদ্দীন তাবরিজী (রহঃ), হযরত শাহ ইউসুফ (রহঃ), হযরত শাহ কিং সওয়ার (রহঃ), হযরত শাহ আজমত (রহঃ), হযরত হাসিলা পীর (রহঃ), হযরত শাহ বাদলা (রহঃ), হযরত শাহ আহম্মেদ (রহঃ), হযরত শাহ মাহমুদ (রহঃ)। অপর চারজনের নাম জানা যায়নি। এ মাজারগুলি ছাড়াও আরও ৬ জন আবেদের মাজার দেখা যায় যারা সেখানে বেশকিছুকাল বসবাস করার পর মারা যান।

তাঁরা হচ্ছেন, শাহ মাস্তান (রহঃ), শাহ হাবিবুল্লাহ (রহঃ) (এই মাজারটি করতোয়া নদীর পূর্ব পাড়ে অবস্থিত), শাহ মাফাত (রহঃ), হাদী সাহেব, অপর দুই জনের নাম জানা যায়নি। হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ)‘র এক ভাগ্নে শহীদ খাজা কালিন দানিশমন্দ (রহঃ)‘র মাজার তার মাজারের ডান পাশে। অপর ভাগ্নে এবং দরবেশগণের মাজার নিকটেই। হযরত মখদুম শাহদৌলা ইয়ামেনী (রহঃ), শহীদ খাজা কালিন দানিশমন্দ (রহঃ) এবং দরবেশ শাহ ইউসুফ (রহঃ)‘র মাজার প্রাচীর দিয়ে ঘেরা।

যার উপরে বিশাল আকৃতির একটি গুম্বুজ (পাকা সৌধ নির্মাণ করা হয়েছে)। হযরত শামসুদ্দিন তাববিজী (রহঃ) ছিলেন, মখদুম শাহদৌলা শহীদ ইয়ামেনী (রহঃ)‘র ওস্তাদ। এছাড়াও এখানে আরও দুইটি কবরস্থান আছে, একটি মসজিদ সংলগ্ন অপরটি মসজিদ থেকে ১০ রশি দক্ষিণে। সেখানে হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) কে প্রথম দাফন করা হয়েছি। এই কবরস্থান দুটি ‘গঞ্জে শহীদ নামে খ্যাত’।

এ সব কবরের কোন ফলক নেই। মসজিদের দক্ষিণপাশে একটি জলাশয় ছিল যা ‘সতী বিবির খাল’ নামে পরিচিত। এই জলাশয়েই হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ)‘র বোন শত্রæর হাত থেকে সম্ভ্রম বাঁচাবার তাগিদে ঝাপ দিয়ে মারা যান। এ খালেই অনেকে মনোবাসনা পূরণের জন্য চিনি, বাতসা নিক্ষেপ করত (করতোয়া নদী গ্রাস করায় জলাশয়টির এখন কোন চিহ্ন নেই)।

হযরত মখদুম  শাহদৌলার (রহঃ)‘র নির্দেশে মখদুমিয়া জামে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। ওই মসজিদের বাইরের মাপ, দৈর্ঘ্য ৬২ ফুট ৯ ইঞ্চি, প্রস্থ ৪১ ফুট ৯.০৫ ইঞ্চি এবং উচ্চতা ১৯ ফুট ১০ ইঞ্চি পুরু। দেয়াল ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি পুরু। মোট ৫টি দরজা প্রতিটির উচ্চতা ৭ ফুট ৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৬ ফুট ৩.৫ ইঞ্চি। মসজিদটির মোট গুম্বুজের সংখ্যা ১৫টি। মেঝে হতে গুম্বুজের শীর্ঘ পর্যন্ত উচ্চতা ২০ ফুট ৯ ইঞ্চি।

ইট এবং চুন দ্বারা মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মসজিদটি ধারণ করে রেখেছে কালো পাথরের মোট ২০টি স্তম্ভ মসজিদের ভিতরে পশ্চিম দেয়াল সংলগ্ন রয়েছে ৭টি ধাপ সহ ছাদ বিশিষ্ট একটি মিনার। মসজিদের সামনে একটি পাকা চত্বর যা মসজিদরে মেঝের চাইতে ১ ইঞ্চি নিচু। মসজিদের বাইরে এবং ভিতরে কারুকাজ আছে যা প্রধানত ফলমূল ও লতাপাতার।

এই মখদুমিয়া জামে মসজিদটি এলাকায় গায়েবী মসজিদ নামে পরিচিত। হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মসজিদটির নির্মাণ কাজ সম্পাদন সম্পর্কে অনেক জনশ্রুতি রয়েছে। শোন যায়, মসজিদের বৃহৎ পাথরের স্তম্ভগুলি হযরত মখদুম শাহদৌলা (রহঃ)‘র নির্দেশে আরব দেশ থেকে পানির উপর দিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে আসা হয়।

এই রূপ জনশ্রুতি অবস্তব মনে হলেও মসজিদটি নির্মাণে অলৌকিকতার বেশ ছাপ আছে। যে ২৪টি স্তম্ভের উপর মসজিদটি দণ্ডায়মান। ওই স্তম্ভগুলি কোনাকার নকশা বিশিষ্ট এই পাথরের স্তম্ভগুলি কোথা থেকে কিভাবে আনা হল, কেমন করে পাহাড় হতে এত বড় পাথরের স্তম্ভ বের করা হল তা ধারণাতীত।

মসজিদের পাশে বাৎসারিক মেলা অনুষ্ঠিত মখদুম শাহদৌলার স্মৃতি রক্ষারর্থে প্রতিবছর বাসন্তী অষ্ট্যমীর আগে একমাস ধরে মেলা হতো। বর্তমানে যা সপ্তাহ ব্যাপী পালন করা হয়। মাজার এলাকায় হিন্দু-মুসলমানের সম্প্রীতির চিহ্ন আজও বিদ্যামান।


দিলীপ গৌর ১৯-১১-২০২০ ০৫:৪০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 1688 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com