স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছেনা তাড়াশের পশুর হাটে, অভিযোগ আছে অতিরিক্ত খাজনা আদায়েরও
এম এ মাজিদ :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রসিদ্ধ গুল্টা হাটে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলছে পশু ক্রয়-বিক্রয়। করোনাভাইরাসের কোন রকমের তোয়াক্কা না করে দুপুর থেকে সন্ধ্যা অবদি ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যস্ত ক্রেতা বিক্রেতা। অভিযোগ রয়েছে অতিরিক্ত খাজনা আদায়েরও। একটি ছাগল ক্রয়-বিক্রয়ে ৪০ টাকার স্থলে ৩০০ টাকা ও একটি গরু/মহিষ ক্রয়-বিক্রয়ে ২৪০ টাকার স্থলে আদায় করা হচ্ছে ৪৫০ টাকা। আর খাজনা রশিদে টাকার পরিমাণ না লিখে পরিশোধ লেখা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, গরু ও ছাগলের হাটে মানুষের ঢল। সেখানে মানা হচ্ছে না শারীরিক দূরত্ব, তাদের মুখে নেই মাস্ক।
ক্রেতা আব্দুর রশিদ, জামাল হোসেন, আবু হাসেম, কিসমত আলী ও বিক্রেতা সবুজ মিয়া, ইউসুব আলী, রাকিব হাসান জানান, আর মাত্র কয়েকদিন পর কোরবানীর ঈদ। পশু কেনা-বেচার জন্য হাটে তো আসতেই হবে। তবে তাদের অভিযোগ, সরকারি নিয়মানুযায়ী একটি গরু/মহিষ ক্রয়-বিক্রয়ে সর্বোচ্চ ২৪০ টাকা ও একটি ছাগল ক্রয়-বিক্রয়ে ৪০ টাকা খাজনা নেওয়ার বিধান রয়েছে। অথচ ইজারাদার একটি ছাগল ক্রয়-বিক্রয়ে ৪০ টাকার স্থলে ৩০০ টাকা ও একটি গরু/মহিষ ক্রয়-বিক্রয়ে ২৪০ টাকার স্থলে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত খাজনা আদায় করছেন।
এদিকে হাটে আগতদের সচেনতার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে মাইকে প্রচারনার নির্দেশনা থাকলেও ইজারাদারের পক্ষ থেকে তার কিছুই করা হচ্ছে না।
এবিষয়ে গুল্টা হাটের ইজারাদার গিয়াস উদ্দিন এপ্রসঙ্গে তার বক্তব্য দিতে রাজি নন। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হাট-বাজার ইজারা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইফ্ফাত জাহান বলেন, ইতোমধ্যে ইজারাদারকে সতর্ক করা হয়েছে।