হযরত শাহ কামাল ইয়ামানি (রহঃ) বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলাম প্রচারক
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৬:৩০ অপরাহ্ন

  

হযরত শাহ কামাল ইয়ামানি (রহঃ) বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলাম প্রচারক

ডেস্ক রিপোর্টঃ
২৫-১১-২০১৯ ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
হযরত শাহ কামাল ইয়ামানি (রহঃ) বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলাম প্রচারক

মোঃ আবুল হোসেনঃ মুসলিম বিশ্বের অন্যতম সুফি সম্রাট সুলতানুল আউলিয়া কুতুবুল আলম হযরত শাহ কামাল ইয়ামানি (রহঃ) প্রসিদ্ধ বার আউলিয়ার একজন ছিলেন।তিনি কোরাইশ বংশের একজন বংশধর  ছিলেন।আরবের ইয়ামান প্রদেশথেকে কারো মতে ইরাকের বাগদাদ নগরী হতে নিজ স্ত্রী ও অনেক শিষ্যসহ ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্য ভারতের শিরহিন্দ হয়ে কারো মতে আরাকান হয়ে আসামের ত্রিপুরা দিয়ে এসে সিরাজগঞ্জ এর অন্তর্গত কামারখন্দের এক জলাবদ্ধ দ্বীপে আস্তানা গড়ে তোলেন।হযতর শাহ কামাল (রহঃ) এর পাঁচ পুত্রের মাধ্যমে জনবশতি বাড়তে বাড়তে এখানে একটি  গ্রামের জন্ম হয়।হযতর শাহ কামাল (রহঃ) নামানুসারে এই গ্রামের নামকরণ করা হয় নান্দিনা কামালিয়া। ততকালীন ব্রিটিশ আমলে হিন্দু জমিদারদের থেকে প্রচুর জমি লাখেরাজ করার ফলে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক তিনি  ভূইয়া উপাধি লাভ করেন।তাই কেউ কেউ শাহ কামালের নান্দিনা কামালিয়াকে ভূইয়া নান্দিনাও বলে থাকেন।সিরাজগঞ্জ জেলার অন্তর্গত কামারখন্দ উপজেলার ৩ মাইল  উত্তরে এই নান্দিনা কামালিয়া গ্রামের পূর্বদিকে  ৯-১০ বিঘা এক উচু দ্বীপের মত ভিটার মাঝখানে একটি উচু গম্বুজ বিশিষ্ট পাকা ঘর আছে।আর ওই ঘরের মধ্যেই প্রায় ১০ হাত লম্বা বিশিষ্ট একটি মাজারে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলাম প্রচারক মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুফি সম্রাট সুলতানুল আউলিয়া কুতুবুল আলম হযরত শাহ কামাল ইয়ামানি (রহঃ)।

জনশ্রুতিতে জানা যায়,হযরত শাহ কামাল (রহঃ) আল কাদেরী (রহঃ) অতি উচ্চস্তরের কামেল ছিলেন।সেই যুগে তার সমকক্ষ কেউ ছিলেন না।তিনি তাফসির হাদিস ফিকাহ ও তাসাউফ শাস্ত্রের বিশেষ পণ্ডিতের অধিকারী ছিলেন।কুতুবুল আলম শাহ কামাল জাহেরী শাখায় পূর্ণ  জ্ঞান অর্জনের পরে বাতেনী জ্ঞান অর্জনের জন্য তৎকালীন কুতুব হযরত শাহ ফোজায়েল (রহঃ) এর নিকট বায়াত হন।কঠোর সাধনা মোরাকাবা মোশাহাদা ও পূর্ণ সুন্নাতের আমলের মাধ্যমে ইলমে মারেফাতের অতি উচ্চ স্তরে উপনীত হন ও খেলাফত লাভ করেন।তিনি কাদেরীয়া তরীকায় শ্রেষ্ঠ বুজুর্গ  ছিলেন। কেউ তাকে কুতুবুল আকতাব বলেছেন। আবার কেউ তাকে  কুতুবে মাদার বলে উল্লেখ করেছেন।তার মাজারের পশ্চিম- উত্তরে একটি উচু ভিটা পতিত অবস্থায় পড়ে আছে। জানা যায় হযরত শাহ কামাল (রহঃ)  আপন স্ত্রীকে নিয়ে এখানে অবস্থান করতেন।দিনের বেলায় ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন এলাকায় গমন করেন।রাত্রিতে আপন কুঠিরে ফিরে আসেন ও ইবাদতে মশগুল হতেন।সেখানে কয়েকটা কবর রয়েছে।এই কবর গুলো হযরত শাহ কামালের সন্তানদের ও স্ত্রীর বলে জানা গেছে।হযরত শাহ কামাল যুবক বয়সে এখানে আগমন করেছিলেন।তিনি ৮০ বছর হায়াত পেয়েছিলেন।এই সময়ে তিনি সিরাজগঞ্জ, পাবনা,নিমগাছী  সহ বিভিন্ন এলাকায় উটের পিঠে চড়ে  ইসলাম প্রচার করেন।তিনি সুমিষ্ট ভাষী নরম স্বভাবের লোক ছিলেন।তার সুন্দর বক্তৃতায় ও কারামতে মুগ্ধ হয়ে হাজার হাজার হিন্দু ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।তিনি  নিমগাছীতে মাঝে মাঝে অবস্থান করে ব্যাপক ভাবে ইসলামের বানী প্রচার করেন।তিনি নিমগাছীর যে জায়গায় বসে ধ্যান করতেন সেই জায়গায় ইট দ্বারা বেষ্টনী ছিল যা এখন নষ্ট হয়ে গেছে।কিন্তু উহার  কিছু আলামত অবশিষ্ট আছে।এলাকার প্রবীন ব্যক্তিদের সাথে আলাপচারিতায় উঠে আসে হযরত শাহ কামাল (রহঃ) এর কিছু অলৌকিক কাহিনী। একদিন তিনি আপন আস্তানা (নান্দিনা কামালিয়া) হতে কোন এক এলাকায় গমন করেন।তিনি সেখানে দেখতে পান লোকজন মাটির প্রতিমার পুজা করছে,সিদুর,দুধ কলা ইত্যাদি দিচ্ছে।এরুপ শিরকী কার্য দেখে তিনি মর্মাহত হন এবং তাদের নিকট গিয়ে মুজাহিদের সুরে বললেন হে লোক সকল এক আল্লাহর ইবাদত কর।মুহাম্মদ (সঃ) কে রাসুল হিসেবে মান।দীন ইসলাম কবুল করে চিরস্থায়ী সুখের ঠিকানা জান্নাত লাভ কর।তখন লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে শাহ কামাল রহঃ কে বললো,হে মুসলিম ফকির আমরা যে বাতিল ধর্মের অধিকারী, তুমি যে সত্য ধর্মের আহ্বানকারী এই কথার সত্যতা কোথায়? তখন শাহ কামাল (রহঃ) বললো,তোমরা যার পুজা কর,সে যদি বলে তাহলে কি তোমরা মানবে? সকলে এ কাজ অসম্ভব বলে মনে করে হা সূচক জবাব দিল।তখন শাহ কামাল (রহঃ)বললেন হে মাটির প্রতীমা কথা বল।তখন প্রতীমা গুলো হাত নেড়ে কথা বললো,আমাদের কোন ক্ষমতা নেই। সকল ক্ষমতার মালিক এক আল্লাহ,তার কোন শরীক নেই তিনি অদ্বিতীয়। তোমরা সেই আল্লাহর ইবাদত কর।এই কথা বলে মূর্তিরা হেটে হেটে হযরত শাহ কামাল (রহঃ)এর নিকট হাজির হলো।এই ঘটনা দেখে দলে দলে লোকজন হযরত শাহ কামালের হাত ধরে মুসলমান হয়ে গেল। সেই এলাকায় শিরিক বেদাত দূর হলো এবং দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলো।তিনি আল্লাহর প্রেমে বিভোর হয়ে দিবারাত্রি জঙ্গলে ও মাঠে ময়দানে ঘুরে বেড়াতেন।অনেক সময় মরুভূমিতে উজ্জ্বল নয়নাভিরাম নগর দৃষ্টি গোচর হত।নগরবাসী গন সাদরে তাকে নিয়ে যেত এবং সারা রাত্রি তার খেদমতে কাটিয়ে দিত।প্রভাতকালে অধিবাসীগন সহ নগর অদৃশ্য হয়ে যেত।জানা যায় বর্তমান মাজার শরীফের পশ্চিম পার্শ্বে আজ হতে ৫০০ বছর আগে বড় নদী ছিল।এই নদীর মধ্যে দিয়ে তার নিকট আসা লোকজনের অনেক কষ্ট হত। তার অলৌকিক শক্তিতে নদীটি শুকিয়ে বিলে পরিণত হয়েছিল। কালকক্রে সে বিলটি হারিয়ে যায়।১২০ বছর হায়াত প্রাপ্ত মরহুম তোমজেল হোসেন কামালি তার চাচা মেহেরুদ্দিন কামালি হতে বর্ণনা করেন,উক্ত নদীর নাম ছিল ইছামতী। নদীর বাক অন্য দিকে সরে যায় বিলের সৃষ্টি হয়। প্রায় ৩০০ বছর প্রবল ছিল বিলটি।এখন আর সেই বিল নেই।সেখানে ধান পাটের আবাদ হয়।

হযরত শাহ কামাল রহঃ কাদরীয়া তরিকার শ্রেষ্ঠ বুজুর্গ ছিলেন।হযরত গাউছুল আজম বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহঃ এর জুব্বা,পাগড়ী, খেরকা শরীফ খাসভাবে পূর্ণমা কামালতে পরিপূর্ণ  করে রেখেছিলেন।সেটা পরস্পর হস্তান্তর হতে হতে সেই বংশের শেষ খলিফা ও বুজুর্গ হজরত শাহ কামাল রহঃ লাভ করেন।তিনি এই পবিত্র আমানত তার নাতি শাহ সেকেন্দার রহঃ এর নিকট অর্পণ  করেন।তার নির্দেশে তার নাতি শাহ সেকেন্দার (রহঃ) মুজাদ্দিদ আলফেসানি (রহঃ) কে প্রদান করেন।মরহুম জহির কামালি বর্ণনা করেন।তার পুত্র বাহারুল্লাহ কামালির নিকট তিনি বর্ণনা করেন।তার পুত্র হাফিজ উদ্দিন কামালির নিকট তিনি বর্ণনা  করেন।মেহেরুদ্দিন কামালির নিকট তিনি বর্ণনা করেন।তার ভাতিজা তোমজেল হোসেন কামালির নিকট হতে বর্ণনা করেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন পীরে কামেল মুফতী মাওলানা আখলাকুল ইসলাম কোরাইশী।তিনি বলেন প্রায় ৫০০ বছর আগের কথা।হযরত শাহ কামাল (রহঃ) নিজ আস্তানায় বসে ধ্যান করতেছিলেন।এই সময় জনৈক্য নবাব নিমগাছী হতে নৌকা যোগে কালিয়া কান্দাপাড়া কাচারী অভিমুখে পরিদর্শনের উদ্দেশ্য রওনা হয়।কিছু দূর অগ্রসর হবার পর নদীর মাঝ পথে হঠাত ঝড় তুফান শুরু হয়।প্রবল ঝড় তুফান ও অন্ধকারে মাঝি মাল্লারা দিশেহারা হয়ে কোন এক কিনারায় নৌকা পোঁছাবার চেষ্টা করে।ধীরে ধীরে নৌকা চলতে চলতে হঠাত এক জঙ্গলের নিকট থেমে যায়।মাঝিরা খোজ নিয়ে দেখেন,চারিদিকে পানি।মাঝখানে একটা দ্বীপের ন্যায় উচু ৮-১০ বিঘা পরিমাণ জায়গা আছে।সেখানে ৮ টি গাব গাছ রয়েছে।সেখানে একটি ছোট ঘর আছে,এবং প্রদীপ জলছে।এই সংবাদ নবাবকে জানানো হলো।নবাব সেখান থেকে আগুন এনে খাবার প্রস্তুত করতে বললো।মাঝিরা নবাবের নির্দেশ মত ভয়ের সাথে সামনে চলতে লাগলো।ঘরের সামনে যাওয়ার পর ঘরের ভিতর থেকে আওয়াজ এলো তোমরা কারা? মাঝিরা বললো আমরা নবাবের লোকজন বিপদে পড়ে আপনার নিকট এসেছি আগুনের জন্য।তখন ঘরের ভিতর হতে হযরত শাহ কামাল (রহঃ)বের হয়ে আসলেন।তিনি বললেন যে আগুনের দরকার নেই।আপনাদের দাওয়াত আপনারা সকলে খানা খাবেন।তখন মাঝিগন নবাবের নিকট ফিরে গিয়ে সব ঘটনা খুলে বললেন।এবার হযরত শাহ কামাল (রহঃ)তার  কারামতের গাব গাছের পাতায় খাদ্য নিয়ে নবাব ও মাঝিদের সামনে পেশ করলেন।তখন নবাব অবাক হয়ে বললেন,দরবেশ সাহেব কয়েকজন লোকের এই সামান্য খাদ্য তাও আবার গাছের পাতায়? দরবেশ হযরত শাহ কামাল রহঃ বললেন, আপনারা আল্লাহর নাম নিয়ে খানা খান।তখন নবাব ও মাঝি গন খানা খাওয়া শুরু করলো। সকলে তিপ্তি সহকারে খাওয়ার পরেও খাদ্য আগের ন্যায় রয়ে গেল।এই অলোকিক ঘটনা দেখে নবাব বললো,হে শাহ সাহেব,আমি খুশি হয়ে আপনাকে এই এলাকার সম্পত্তি নিষ্কর লাখেরাজ দান করলাম।আপনি ও আপনার বংশধর ইহা ভোগ করবেন।এই বলে হাতের ইশারাতে সীমানা নির্ধারণ করে দিলেন।হযরত শাহ কামাল রহঃ এর সম্পত্তি দু' মহালে বিভক্ত বড় নম্বর ও ছোট নম্বর রুপে কথিত আছে।মাখদুম আব্দুল আহাদ (রহঃ) যে সপ্ন দেখেছিলেন তার তাবির হযরত শাহ কামাল (রহঃ)করিয়া ছিলেন।মুজাদ্দেদ আলফেসানি (রহঃ)শিশু অবস্থায় শাহ কামাল (রহঃ) এর জিহ্বা চুষে কাদরিয়া তরিকার সকল ফয়েজ হাসিল করেন।হযরত শাহ কামাল (রহঃ) জমানার শ্রেষ্ঠ অলি ছিলেন।তার শিষ্যগন বিশেষ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন।কুতুবুল আলম হযরত শাহ কামাল (রহঃ) তার স্ত্রী ও ৬ সন্তান সহ হাজার হাজার ভক্ত বিন্দুকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে ৯৮১ হিজরীর ১৯ জমাদিউস সানিতে ৮০ বছর বয়সে ১৫২৪ খ্রি. পরলোকগমন করেন।তার সন্তান ও ভক্তগন জানাজা পড়ে তাকে এই উচু ভিটায় (নান্দিনা কামালিয়া) গ্রামের পূর্বপাশে ৮টি গাবগাছ বিশিষ্ট জায়গায় দাফন করেন।সেখানেই তার মাজার অবস্থিত।হযরত শাহ কামাল ইয়ামানি (রহঃ) এর বংশধর ও কোনাবাড়ী বুলবুল কারিগরি ডিগ্রি কলেজের সিনিয়র প্রভাষক আজমল হোসেন ভূইয়া জানান,প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার নান্দিনা কামালিয়া হযরত শাহ কামাল ইয়ামানি (রহঃ) এর মাজারে মহা পবিত্র ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়।হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন দেশ থেকে এ মিলন মেলায় অংশ গ্রহন করে আল্লার ওলীর ফয়েজ বরকত হাসেল করে মাজার জিয়ারত করে। এছাড়া এ দিন দেশ বরেণ্য বিভিন্ন আলেম ওলামা একত্রিত হয়ে মুল্যবান বক্তব্য রাখেন। হযরত শাহ কামাল (রহঃ) এর ওরশ  অনুষ্ঠান উপলক্ষে আগত মুসল্লি, ভক্ত, আশেকান, নারীদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে । ওরশে আদায়কৃত অর্থ, পন্য সামগ্রী, পশু ইত্যাদি থেকে মাজারের মেরামত, কবস্থানের উন্নয়ন, হযরত শাহ কামাল হাফিজিয়া মাদ্রাসা, মসজিদ সহ ওরশে আগত মানুষদের খাওয়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।তিনি আরো জানান, আমাদের এ অনুষ্ঠানে পবিত্রতা রক্ষার্থে দোকান পাট বসানোর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়ে থাকে।মূল মাজার চত্ত্বরে সিজদা সম্পূর্ণ নিষেধ ও মহিলা দের প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে।বাংলাদেশের ইতিহাসে সুফি সম্রাট মুসলিম সাধক সুলতানুল আউলিয়া কুতুবুল আলম হযরত শাহ কামাল ইয়ামানি (রহঃ) সিরাজগঞ্জ জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলাম প্রচারক ছিলেন।নান্দিনা কামালিয়া গ্রামবাসী যেমন হযরত শাহ কামাল ইয়ামানি (রহঃ) এর আত্মার শান্তি কামনায় প্রতি বছর সুশৃঙ্খলভাবে মহা পবিত্র  ওরশ শরিফ পালন করেন তেমনি যারা দেশে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলাম প্রচারে ভুমিকা রেখেছেন তাদের জন্য ওরশ,দোয়া, তাফসির, আলোচনা, ওয়াজ মাহফিল করা যেতে পারে।তবে সুফি সম্রাট মুসলিম সাধকদের ওরশ শরীফের নামে কেউ যেন মদ গাজার আসর বানাতে না পারে অথবা অবৈধ কোনো ব্যবসা করতে না পারে অথবা ভন্ড পীরের আস্তানা গড়তে না পারে সরকার,প্রশাসনসহ সকল মহলের নিকট এ প্রত্যশা রেখে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।


লেখকঃব্যাংকার ও সৌখিন কলামিস্ট।
(মোঃ আবুল হোসেন,সিনিয়র অফিসার, এক্সিম ব্যাংক,সিরাজগঞ্জ শাখা)


ডেস্ক রিপোর্টঃ ২৫-১১-২০১৯ ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 4109 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com