মানব সভ্যতার জয় হবেই একদিন
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

  

মানব সভ্যতার জয় হবেই একদিন

নিউজরুম
১৫-০৭-২০২১ ০৯:৪১ অপরাহ্ন
মানব সভ্যতার জয় হবেই একদিন

 

কতকিছুই না আমার ভাবনার জালে আটকে যাচ্ছে। কোনটাকে ধরি আর কোনটাকে ছাড়ি? যেন মাকড়শার জালের মধ্যে পড়ে উদ্ধারের উপায় খুঁজছি!

বর্তমান বিশ্ব এখন সবচেয়ে এক ভয়াবহ যুদ্ধাবস্থার মধ্য দিয়ে পার হচ্ছে। মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছে এক অদৃশ্য শক্তি করোনাভাইরাস।

অতীতে হলিউড-এর বিভিন্ন পরিচালকের হাতে তৈরি অনেক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি হয়েছে যার সঙ্গে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির অনেক মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

এটা এখন খুব পরিষ্কার, একদিকে মানুষ তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে চেষ্টা করছে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা বের করে বর্তমান সভ্যতাকে বাঁচিয়ে রাখার।

অন্যদিকে করোনাভাইরাসও তার অদৃশ্য রূপকে বারে বারে পরিবর্তন করে যুদ্ধে টিকে থাকার চেষ্টায় মত্ত, অদ্ভুত এক যুদ্ধাবস্থা বিরাজমান।

এই যুদ্ধাবস্থায় টিকে থাকার জন্য এখন পর্যন্ত তৈরি প্রতিষেধক টিকার কোনো বিকল্প আর কিছু আছে বলে মনে হচ্ছে না। যদিও কিছু মানুষ এখনো এই টিকার উপর ভরসা করতে পারছে না। এটা থাকবেই তার মধ্যে দিয়েই এগিয়ে যেতে হবে আমাদের।

বিশ্ব অর্থনীতি এক ভঙ্গুর অবস্থার মধ্যে দিয়ে চলছে। সারা বিশ্বের জিডিপি প্রায় ২ থেকে ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে যার ফলে পৃথিবীর জনগোষ্ঠীর একটি অংশ ফের দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে এসেছে।

আর এর ভেতরেও টিকা প্রস্তুতকারী কোম্পনিগুলো তাদের বাণিজ্যের কোনো অংশ ছাড় দিতে রাজি নয়। ফাইজার তো সরাসরিই বুস্টার টিকার কথা বলছে, লাগবে কি লাগবে না এ গবেষণা এই স্বল্প সময়ে কোনো ভাবেই সম্ভব নয়!

তাদের গবেষণায় তৈরি টিকার স্বত্ব অন্য দেশকে দিতেও রাজি হচ্ছে না। আবার নিজেরাও পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহও করতে পারছে না।

পৃথিবীর জনসংখার খুব অল্প সংখ্যক মানুষ এখন টিকার সংস্পর্শে এসেছে। শক্তিশালী অর্থনীতির দেশগুলোই তাদের জনসংখ্যার জন্য এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত টিকার আয়োজন করতে পেরেছে।

জি-৭ সম্মেলন থেকে তারা ১০০ কোটি টিকার বিনামূল্যে সরবরাহের ব্যবস্থা করতে চেয়েছে, চীন তো উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছে। আরো অনেক অনেক বেশি পরিমাণ টিকার সংস্থান হওয়া খুবই জরুরি।

ছোটবেলা থেকেই মানবতার গল্প শুনে আসছি। এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও উন্নত বিশ্বগুলোকে আরো মানবিক হতে বলছে। কিন্তু বাস্তব সত্য তাদের এ বাণী কতখানি শ্রবণযোগ্য সেটাই বড় প্রশ্ন?

তবে আশাবাদী মানুষ হিসাবে আমি এখনো বিশ্বাস করতে চাই। সুড়ঙ্গের মুখের আলোর ঝলকানি এক সময় পুরো পৃথিবীকেই আলোকিত করে তুলবে। মানব সভ্যতার জয় হবেই একদিন। হবেই হবে।

লেখক: কলাম লেখক, প্রকৌশলী ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, ক্যালগেরি, কানাডা।


নিউজরুম ১৫-০৭-২০২১ ০৯:৪১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 352 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com