শিরোনামঃ
নিউজরুম ১৪-০৭-২০২১ ০৬:২৪ অপরাহ্ন |
‘আমাদের দাবি না মানলে পরিচ্ছন্ন কাজ বন্ধ থাকবে, আমাদের দাবি মেনে নিন ৫ মাসের বেতন দিন।’
বকেয়া বেতনের দাবিতে এমন স্লোগানের প্ল্যা-কার্ড হাতে বিক্ষোভ করেছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) বহিরাগত (আউটসোর্সিং) পরিচ্ছন্ন কর্মীরা।
বুধবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে প্রায় শতাধিক শ্রমিক এ বিক্ষোভ করেন। এর আগে তারা সংস্থার পাওয়ার হাউস মোড়স্থ গ্যারেজের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে কেসিসির আউটসোর্সিংয়ের চাকরিতে যোগদান করেন ১২০ জন বহিরাগত শ্রমিক। কয়েক মাস সঠিকভাবে বেতন পেলেও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চলতি জুলাই মাস (পাঁচ মাস) পর্যন্ত বেতন পাননি। বার বার সুপারভাইজার হাফিজুল ইসলামের কাছে বেতনের জন্য ধরনা ধরেও পাননি। শ্রমিকরা খুব অসহায় অবস্থায় আছেন। একে কঠোর বিধিনিষেধে, সেই সঙ্গে সামনে ঈদ।
তাই টাকা না পেয়ে ক্ষুব্ধ এসব কর্মীরা কেসিসির তেলের ট্যাংক গ্যারেজের সামনে মঙ্গলবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বুধবারও তারা বিক্ষোভে নামেন।
বহিরাগত শ্রমিক রাকিব বলেন, ‘করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য পরিষ্কার করছি। অথচ ৫ মাস বেতন পাচ্ছি না। বর্জ্য অপসারণের সময় গ্লাভস, মাস্ক, বুটজুতা, হেলমেট ব্যবহার করার কথা থাকলেও আমাদের কিছুই নেই। শুনেছি আমাদের জন্য এগুলো বরাদ্দ হয়েছিল, কিন্তু আমরা পাইনি। বর্তমানে বেতন না পেয়ে অনেক মানবেতর জীবন যাপন করছি। মুদি দোকানিরা আর বাকি দিতে চান না। বাড়িওয়ালারাও বাসা থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন।’

বহিরাগত শ্রমিকদের সুপারভাইজার হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘বহিরাগত শ্রমিক পরিচ্ছন্ন কর্মীরা পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। শ্রমিকদের হাজিরা সংক্রান্ত একটি জটিলতার কারণে মেয়র তদন্ত কমিটি করেছিলেন। তদন্তের রিপোর্ট তৈরি করে মেয়রের কাছে দেয়া হয়েছে। দেয়ার পরেরদিন তিনি অসুস্থ হয়ে ঢাকায় চলে যান। মেয়র খুলনায় আসলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’
তবে তদন্তে কেন এত দীর্ঘ সময় লাগলো তার সদুত্তর দিতে পারেননি হাফিজুল ইসলাম।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com