শিরোনামঃ
নিউজরুম ০৬-০৬-২০২১ ০৬:১৮ অপরাহ্ন |
নাটোরের গুরুদাসপুরে পাট ক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নাম রাখি খাতুন (২৬)। অতিরিক্ত হাত খরচের টাকা যোগান দিতে গিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে স্বামী মিলন ইকবাল তাকে হত্যা করেন। এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
রোববার (৬ জুন) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ১ জুন গুরুদাসুপরের কাছিকাটা টোল প্লাজার কাছে বির বিয়াস নামে একটি পাট ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সিআইডির ক্রাইম সিনের সহায়তায় জানা যায়, নিহত নারী রাখি খাতুন রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার চান্দুরিয়া গ্রামের মিলন ইকবালের স্ত্রী। নিহত রাখি বাবা ও স্বজনদের সঙ্গে কথা ইকবাল ও তার তৃতীয় স্ত্রী তহমিনা খাতুনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় মিলন ইকবালের কাছ থেকে রাখি খাতুনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।’
ইকবালের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার জানান, ইকবাল ঢাকায় ডিবিবিএল ব্যাংকে মাত্র ১৪ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করেন। সেখান থেকে প্রথম স্ত্রী রাখি খাতুনকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা পাঠাতেন। বাকি ৪ হাজার টাকা দিয়ে তাকে চলতে হতো। তৃতীয় স্ত্রী তহমিনাকে তিনি টাকা পয়সা দিতে পারতেন না।
তিনি আরও জানান, ডিভোর্স দিলে রাখি মামলা করবে। আইন আদালতের ঝামেলা পোহাতে হবে। এ কারণে ইকবাল রাখিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। গুরুদাসপুর উপজেলায় এক আত্মীয়র বাসায় বেড়ানোর কথা বলে রাখিকে সঙ্গে নিয়ে বাসে রাতে কাছিকাটা টোল প্লাজার কাছে নামেন। পার্শ্ববর্তী বিল বিয়াস নামক স্থানে লোহার হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে রাখিকে হত্যা করে মরদেহ পাট ক্ষেতের মধ্যে ফেলে দেন। পরে তৃতীয় স্ত্রী তহমিনার কাছে ফিরে যান।
পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, ‘গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- এএসপি মীর আসাদুজ্জামান, জামিল আকতার, গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com