শিরোনামঃ
নিউজরুম ২১-০১-২০২১ ০৪:৪৩ অপরাহ্ন |
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) সোমবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও গুরুতর অসদাচরণের দায়ে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এই তিন শিক্ষক হলেন, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবুল ফজল, একই বিভাগের প্রভাষক শাকিলা আলম এবং ইতিহাস ও সভ্যতা বিভাগের প্রভাষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরী।
নোটিশে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য, কুৎসা রটানো এবং উসকানিমূলক কথা প্রচার করেছিলেন তারা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে অন্যান্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তারা।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো থাকার পরও তারা নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছেন। পরবর্তীতে ওই শিক্ষকরা কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দেন।
অপসারণের কথা জানিয়ে এরপর মঙ্গলবার তাদের চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেন অপসারণ করা হবে না, আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে তা জানাতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক আবুল ফজল বলেন, যেসব সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন তাদেরকে পরীক্ষা করার সুযোগ আমাকে দেয়া হয়নি। এমনকি তারা যে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার কোনো অনুলিপিই আমাকে দেয়া হয়নি, যা আইনত আমার প্রাপ্য। পরপর দুইটি বিশেষ সিন্ডিকেট সভা বসিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যা প্রমাণ করে সম্পূর্ণ বিষয়টিই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রভাষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরী বলেন, নোটিশের জবাব দেয়ার জন্য আইনত আমার ১০ দিন সময় পাওয়া উচিত ছিল। এত কম সময়ের মধ্যে এই নোটিশের উত্তর দেয়া দুরহ কাজ।
এ বিষয়ে উপাচার্য ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বলেন, যেহেতু তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ আছে তাই এ বিষয়ে আমার চূড়ান্ত মন্তব্য করার সময় এখনও আসেনি। তবে ওই সময় তারা শিক্ষার্থীদের ইন্ধন দিয়ে উত্তপ্ত করে রাস্তায় নামিয়েছেন, পেছনে থেকে সহযোগিতা করেছেন। সার্বিক বিষয়ে যদি তারা অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চান তাহলে হয়ত পরবর্তী সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হতে পারে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com