শিরোনামঃ
নিউজরুম ২১-০৫-২০২০ ০৮:৫১ অপরাহ্ন |
সুপার সাইক্লোন আম্ফানের তাণ্ডবে বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যার পর থেকে রংপর অঞ্চলে শুরু হয়েছে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া। রাতভর বৃষ্টির পাশাপাশি বাড়তে থাকে ঝড়ো হাওয়া।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সারাদিন বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। বাড়িঘরের তেমন ক্ষতি না হলেও ফসলের ক্ষতি মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিল কৃষকের। কারণ এর আগে করোনার প্রভাবে শ্রমিক সঙ্কটে অনেক কৃষক ঘরে ধান তুলতে পারেননি। ধানের চেয়ে সবজি আর আমের ক্ষতির পরিমাণটা বেশি বলেই আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ।
রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা) অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, এই অঞ্চলে সুপার সাইক্লোন আম্ফান ফসলের তেমন একটা ক্ষতি করতে পারেনি। প্রায় ১১০০ হেক্টর জমির বোরো ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে। তবে রোদ উঠলে শুয়ে পড়া ধানগাছ ঠিক হয়ে যাবে। এতে তেমন একটা ক্ষতি হবে না। তবে এই অঞ্চলে ৭০০ হেক্টর জমির সবজি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৪৫০ হেক্টর জমির আম গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে হাড়িভাঙ্গা আম রয়েছে। মোট জমির থেকে ২-৩ শতাংশ আম পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীসহ আম চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
এছাড়া ১৬৯ হেক্টর জমির ভুট্টা, ৫১ হেক্টর জমির মরিচ, ৪১ হেক্টর জমির কলা, পাঁচ হেক্টর জমির তিল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান মোহাম্মদ আলী।
রংপুর আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুরে ৯১.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com