প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়সমূহের স্বীকৃতি ও এমপিওভূক্তিকরণে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ শীর্ষক আলোচনা সভা স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়। তারা অনেকসময় দেশের জন্যে সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। এরকম হাজারো প্রমাণ রয়েছে।আমাদের দেশের প্রতিবন্ধীরা ক্রীড়াক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। এমনও দেখা গেছে, যেকাজ স্বাভাবিক একজন মানুষ করতে দুই ঘন্টা সময় নেয়, একজন প্রশিক্ষিত প্রতিবন্ধী তার অনেক কম সময়েই সে কাজ করতে পারছে। এরকম অনেক বিষয়ই আছে যা সাধারণ মানুষ জানেনই না। তাই এসব বিষয় জানাতে ও প্রতিবন্ধীদের অধিকার আদায়ে আমাদের সোচ্চার হওয়া জরুরী। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক। তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করে বিশ্বে সমাদৃত হয়েছেন। এখন দরকার শুধু সদিচ্ছা। আশা করি জননেত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ সরকার এবারই বাজেটে সে কাজটি করে প্রতিবন্ধীদের প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেবেন।
উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়সমূহের স্বীকৃতি ও এমপিওভূক্তিকরণে মাননীয় প্রধামন্ত্রীর দৃষ্ঠি আকর্ষণ শীর্ষক আলোচনা সভার আলোচকগণ।
বুধবার(২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানী ঢাকার তোপখানা রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলো বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদ।
সংগঠনটির সভাপতি ইলিলাস রাজ এর সভাপতিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক আইন বার্তার সম্পাদক ও বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবি জাহাঙ্গীর হোসেন দুলাল। অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগ ও সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবি ড. ইবনে আজীজ মোঃ নুরুল হুদা। সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচএম সালেহ বেলাল। সংগঠনটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রিমা খাতুনের সার্বিক সহযোগিতায় বক্তারা ছয়দফা দাবী বাস্তবায়নের আহবান পূনর্ব্যক্ত করেন।
দাবীগুলো হলো- প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়সমূহের স্বীকৃতি ও এমপিওভূক্তি, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে চাকরি নিয়মিতকরণ ও বেতনভাতা প্রদান, প্রতিবন্ধীবান্ধর অবকাঠামো নির্মাণ বিশেষ শিক্সা কারিকুলাম বাস্তবায়ন, মিডমে মিলসহ যাবতীয় শিক্ষাপকরণ প্রদান,শতভাগ প্রতিবন্ধীর ন্যূনতম ভাতা পাঁচ হাজার টাকা নিশ্চিতকরণ।