শিরোনামঃ
আব্দুল জলিল ২৯-০৭-২০২১ ১০:২৭ পূর্বাহ্ন |
কোন বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও ভাড়া আদায় করা হচ্ছে সেখানে। করোনাকালে প্রতি নৌকায় ২০ জন করে যাত্রী পারাপারের কথা থাকলেও ৩৫ থেকে ৪৭ জন যাত্রী পরিবহন করতেও দেখা গেছে। এসব যাত্রীর অনেকের মুখেই মাস্ক দেখা যায়নি। বুধবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এমন চিত্র দেখা গেছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার দেশের ৩২ তম নৌবন্দরের মেঘাই ঘাট এলাকায়।
জানা গেছে, প্রতিদিনই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌকায় করে মেঘাই ঘাট থেকে প্রত্যন্ত চরাঞ্চল নাটুয়ারপাড়া, খাসরাজবাড়ী, তেকানি, মনসুরনগর ইউনিয়নের যাত্রী পারাপার করা হয়। চিরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় হাট নাটুয়ারপাড়া হাটের দিন এই যাত্রীর চাপ আরও বেড়ে যায়। মাঝে মাঝে উপজেলা প্রশাসন সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু ঘাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি বুঝতে পেরেই সবাই পালিয়ে যান। আদালত চলে গেলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে ঘাট এলাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নাটুয়ারপাড়া গামী একাধিক যাত্রী জানান, স্বাভাবিক অবস্থায় নাটুয়ারপাড়া যেতে ভাড়া লাগতো ৩০টাকা। আর এখন নিচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। অথচ যাত্রীও আগের চেয়ে অনেক বেশী নেয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিধি মানছেন না কেন জানতে চাইলে তারা বলছেন স্বাস্থ্য বিধি মানা ও মাস্ক পরা উচিৎ ছিল।
ঘাটের চেইন মাস্টার আবু তালহা জানান, যাত্রী নিয়ে নৌকা চলাচলের সরকারি কোন নির্দেশনা নেই। তারপরও নৌকায় যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী আসলে লোকজন সহ তারা সবাই দৌঁড়ে পালিয়ে যান। অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, যাত্রী নেয়ার কথা সর্বোচ্চ ২২ জন। কিন্তু যাত্রীরা কিছুই মানছেন না। সবাই নৌকায় উঠে পড়ছে। আর ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ৫০ টাকা করে।
ঘাটের ইজারাদার রফিকুল ইসলাম জানান, লকডাউনে নৌকায় যাত্রী পারাপার করা ঠিক হয়নি। প্রশাসনিকভাবে শুধু রোগী ও কাঁচামাল পরিবহন করার নির্দেশনা রয়েছে। যাত্রী পরিবহন বন্ধ করে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, সরকারী বিধিনিষেধ না মানলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com