লকডাউনে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ, নেই সরকারী ত্রাণ সহায়তা
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন

  

লকডাউনে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ, নেই সরকারী ত্রাণ সহায়তা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি
০৭-০৭-২০২১ ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
লকডাউনে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ, নেই সরকারী ত্রাণ সহায়তা
লকডাউনের কারণে বিপাকে পড়েছে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার নিম্ন আয়ের মানুষ। এখনও পায়নি সরকারী সহায়তা। সাম্প্রতিক সময়ে করোনা ভাইরাসের প্রভাব বিস্তার করায় সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী বেলকুচিতে গত ২৮ জুন থেকে সাধারন ও ১ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়। সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের মানুষকে ঘরমুখী ও বিনা কারণে বাহিরে চলাফেরা রোধ করতে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশ সহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে বেলকুচি পৌর এলাকা সহ আশপাশের এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চরাঞ্চল বেষ্টিত বেলকুচি উপজেলায় বসবারত প্রায় ৪ লক্ষাধিক মানুষের মাঝে দেড় লক্ষ মানুষ যমুনার চরে বাস করে৷ যাদের অধিকাংশ জীবিকা নির্বাহ করেন জমি চাষাবাদ ও তাঁত শিল্পের কাজ করে। সম্প্রতি যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অবাদি জমিগুলো ডুবে গেছে আর তাঁত শিল্পকারখানার কাঁচামালের উর্ধগতির কারণে অনেক তাঁত কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতেকরে এসব এলাকার মানুষ কর্মহীন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। বেলকুচি সদর ইউনিয়নের সোহরাব উদ্দিন জানান, আমরা চরের মানুষ। দিন পার করি আবাদ বসত করে। নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় জমির ও ফসল পানিতে ডুবে গেছে। এখন আবার নতুন করে শুরু হয়েছে লকডাউন। প্রশাসনের লোকজনের জন্য নদী পার হইতে পারি না। কোন কাজও নাই। তাই খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছি। আমার মত খেয়ে না খেয়ে দিন পার করতে হচ্ছে চরের প্রতিটি মানুষের। এ পর্যন্ত কোন সরকারি ত্রাণ সহায়তা পাই নাই। এমন অবস্থা আমাদের বাঁচা কঠিন হয়ে পরেছে। কতোদিনে লকডাউন ছারবো তাও জানা নেই। এখন জনপ্রতিনিধিদের দিকে তাকিয়ে আছি। তারা যদি কিছু ত্রাণ সহায়তা দেয় তবেই আমাদের কোন মতো দিন পার হবে। বেলকুচি সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা সোলাইমান হোসেন এই প্রতিবেদককে বলেন, চরের মানুষের জীবন-জিবিকার নির্বাহ করে থাকে আবাদ বসত আর তাঁতের কাজ করে। তাঁত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আর নদীতে পানি বাড়ায় ফসলি জমি ডুবে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পরেছে এ অঞ্চলের মানুষ। এদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ত্রান সহায়তা দরকার। এদিকে ত্রাণ সহায়তার বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুল মুঠোফোনে জানান, আমরা কিছু ত্রাণ সহায়তা পেয়েছি যা অতিদ্রুত সময়ে মহামারী করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হওয়া মানুষের মাঝে বন্টন করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, কয়েকদিন আগে দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রানলায় থেকে করোনায় কর্মহীন মানুষের জন্য কিছু সহায়তা পেয়েছি। এটি উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যানদের সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে দুই একদিনের মধ্যে সুষ্ঠ ভাবে বন্টন করা হবে। এবিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল মমিন মন্ডলের মুঠো ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ০৭-০৭-২০২১ ০৪:৩৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 285 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   [email protected]