বেলকুচিতে মাদ্রসার জায়গায় মার্কেট, লভ্যাংশ  যাচ্ছে আওয়ামীলীগ নেতার পকেটে
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ০২:০৩ পূর্বাহ্ন

  

বেলকুচিতে মাদ্রসার জায়গায় মার্কেট, লভ্যাংশ  যাচ্ছে আওয়ামীলীগ নেতার পকেটে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি
২৪-০৬-২০২১ ০৬:৪২ অপরাহ্ন
বেলকুচিতে মাদ্রসার জায়গায় মার্কেট, লভ্যাংশ  যাচ্ছে আওয়ামীলীগ নেতার পকেটে
মাদ্রাসার জন্য নির্ধারিত জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে একতলা ভবন। তবে সেখানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান হয়না বরং এর পুরোটাই মার্কেট। অথচ নতুন ভবনে ক্লাস হবে সেই স্বপ্ন দেখিয়ে ৭ বছর আগে টিনের ঘরে চলা মাদরাসাটির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। এমনটা ঘটেছে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের সমেশপুর দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসায়। অভিযোগ মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ নানা উপায়ে মাদ্রাসার অর্থ পকেটে ভরেছেন। একতলা ভবনের পুরোটাই মার্কেট। অথচ এখানে থাকার কথা শ্রেণিকক্ষ, পড়ালেখা করার কথা বেলকুচির সমেশপুর দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের। পরিসর বাড়ানোর স্বপ্নের বাস্তবায়ন তো হয়নি, উল্টো ৭ বছর ধরে বন্ধ মাদরাসার শিক্ষা কার্যক্রম। ব্রিটিশ আমলে সমেশপুর বাজারে সরকারি জায়গায় টিনের চালাঘরে যাত্রা শুরু মাদরাসাটির। পরে স্থানীয়রা ৬৫ শতক জায়গা দান করেন। শিক্ষার্থী বাড়তে থাকায় সিদ্ধান্ত হয় তিন তলা ভবন নির্মাণের। এজন্য ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয় ৪৫ শতক জায়গা। বরাদ্দ দেয়া হয় সরকারি আর স্থানীয়দের অনুদানের ২৮ লাখ টাকাও। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদরাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোহম্মদ আকন্দ, মাদরাসা চালু না করে মার্কেট বানিয়ে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা পকেটে নিচ্ছেন। এর আগে সরকারি যে জায়গায় মাদরাসা ভবন ছিলো তার পাশেই মার্কেট বানানোর চেষ্টা করেছিলেন গোলাম মোহম্মদ আকন্দ। যদিও সেই কাজ বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। তবে, মাদরাসার খরচ মেটানোর জন্য সরকারি জায়গায় যে ৪০টি দোকান করা হয়েছে, তার ভাড়া আওয়ামী লীগ নেতার পকেটেই যায় বলে অভিযোগ। এবিষয়ে অভিযুক্ত গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ অভিযোগ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি মাদ্রাসায় সম্পাদক, দুইবারের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্তমান সভাপতি আছি। আমি এসমস্থ কাজ করতে পারিনা। আমার কাছে মাদ্রাসায় হিসাব আছে। যেকোন সময় আমি দিতে পারবো। এছাড়া দোতলার কাজ চলছে সেখানে মাদ্রাসা আবারও চালু হবে। রাজাপুর ইনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোনিয়া সবুর আকন্দ বলেন, সমেশপুর মাদ্রাসাটি অনেকদিন হলো বন্ধ রয়েছে। সেই জমিতে ৪০ টি দোকান করে ভাড়া তুলে নিচ্ছে সাধারণ সম্পাদক গোলাম চেয়ারম্যান। আসলে সে টাকা দিয়ে কি করছে আমি জানিনা।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ২৪-০৬-২০২১ ০৬:৪২ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 984 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com