তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের ১০ কিলোমিটার খানাখন্দে ভরপুর
২০ জুন, ২০২১ ০৪:৫২ অপরাহ্ন

  

তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের ১০ কিলোমিটার খানাখন্দে ভরপুর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ
০১-০৬-২০২১ ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের ১০ কিলোমিটার খানাখন্দে ভরপুর

বর্ষা আসার আগেই সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার খুটিগাছা থেকে নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কটির অধিকাংশ স্থান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ সড়কের বেহাল দশার কারণে বর্ষায় জনগণের দুর্ভোগ আরো কয়েকগুণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, উপজেলার তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কে নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে কয়েক বছর যাবত। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ ব্যবস্থার অচলাবস্থার কারনে বারবার হোচট খাচ্ছে উপজেলার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি। সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বর্তমানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে এ সড়ক অনেকটাই চলাচল অনুপযোগী। এ সড়ক দিয়ে নওগাঁর হাট, হা-িয়ালসহ আশেপাশের হাজারো মানুষ ও ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে প্রতিনিয়ত। 

উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বন্যা পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের খুটিগাছা মোড় থেকে নওগাঁ হাট পর্যন্ত ৯ দশমিক ০৯ কিলোমিটার সড়ক।  যোগাযোগ ব্যবস্থার এই দুরবস্থা কাটিয়ে উঠতে গত ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর মাসে বন্যা পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় এ কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৭ কোটি ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৮শ ৭৩ টাকা। পরে টেন্ডারের মাধ্যেমে ঢাকার ডলি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ৫ কোটি ৫৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬শ ৮৮ টাকার চুক্তি মূল্য কাজ পান। এরপর সড়কের একপাশে এইজিং (৫ শতাংশ) কাজ করে লাপাত্তা হয়ে যায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি। এখন পর্যন্ত কাজটি বন্ধ রয়েছে। অথচ পুর্বের টেন্ডারে কাজ সমাপ্তির মেয়াদ ছিল ২০১৯ইং সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত। 

স্থানীয় আব্দুস সালাম, আলহাজ আলী, সাবেদ আলী, আফজাল হোসেন সহ অনেকেই জানান, কবে নাগাদ এ কষ্টের অবসান হবে সেই অপেক্ষায় আছি। কারণ সাপ্তাহিক নওগাঁ হাট ও মাজারে হাজার হাজার মানুষজন সহ যানবাহন যাতায়াত করে। আর সড়কটি খানাখন্দে ভরপুর। মাঝে মধ্যেই ছোটখাটো দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে মানুষজনদের। তাই দ্রুত সড়কটি মেরামতের দাবী করছি। আবার বর্ষাকাল চলে আসছে, সেই সাথে বৃষ্টিতে এ সড়কটি যেন পুকুরে পরিনত হয়। বর্তমানে চলাচল দুস্কর হয়ে পড়ছে। 

তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো: আবু সাইদ জানান, পুর্বের টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে। নতুন করে টেন্ডার দিতে প্রায় বছরখানেক সময় লাগবে। এছাড়া টেম্পুরারী কাজ করবো আমরা। যেন লোকজন চলাচল করত পারে। 


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ০১-০৬-২০২১ ০৫:৩৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 179 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   [email protected]