গণ্ড মূর্খ
এক যুবতী সুন্দরী রমণী উজ্জ্বল রূপ রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে।
গলায় চেন আর হাতে কানে আংটি, দুল এক দেড় ভরি ওজনের সোনার জরানো অলংকার।
এখন অর্থ লোভী নেশা খোর লুচ্চা প্রেমিক যদি শুধু গহনা নিয়ে পালায়, তাহলে সে তার কর্তব্য পালন করেছে।
ঠিক আছে! কিন্তু জোয়ান নেশা খোর প্রেমিক যদি আদি রসও ধাবিত হয়, তাহলে সে ধর্মচুত্য হচ্ছে কি?
ব্যস মৌচাকে যেন ঢিল পড়ল!
কবির উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য না বুঝে সবাই চেচিয়ে উঠবেন না।
আমার গো ফহিন্নি চুরা কইছে। হালারে কৌশল।
কি জালা রে বাবা। কি কৌশল কী মান করে। শেষে এই নেশা খোর প্রেমিক ক্ষমা চেয়ে নিস্তার চায়।
এই গণ্ড মূর্খর উপর প্রেমিকা বড় অভিমান হয়।
হঠাৎ লেখক এর সাথে নেশা খোর প্রেমিকের দেখা। টাসকি খাওয়া দশা।
এ কি মানুষ, নাকি দেবো রাজ?
দেব রাজের হৃদয় খোলা আকাশের মত পথ নিয়ে যখন পাশে আছে।
গণ্ড মূর্খ মত সমালোচক পর্যন্ত বলেছে।
অথচ নিজের মা বোনদের সঙ্গে পরপুরুষ না জায়েজ কাজের কোনো প্রতিবাদ করো না।
এখন আবার নিজেদের মধ্যে বাগ যুদ্ধ হচ্ছে।
কেন রে বাবা, এ কেমন কথা।
মানুষ হয়ে মানুষের নিধন।।