বেলকুচিতে এলজিএসপি-৩ রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি
১২-০৪-২০২১ ০৭:০০ অপরাহ্ন
|
|
বেলকুচিতে এলজিএসপি-৩ রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ
সিরাজগঞ্জ বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের (এলজিএসপি-৩) প্রকল্পের (বিবিজি) রাস্তার কাজে বরাদ্ধকৃত অর্থের ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারী ভাবে গোপালপুর হাজী ছাত্তার মোল্লা মার্কেটের মোড় হতে বাবু দোকানদারের বাড়ি পর্যন্ত আর সিসি রাস্তা নির্মাণ কাজের জন্য এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও সম্পন্ন কাজ না করে অর্ধেকের কম কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।
এই প্রকল্পের আহবায়ক ইউপি সদস্য নাজমা বেগম হলেও নামমাত্র আহ্বাক তিনি। প্রকল্পের কাজ করেছেন দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের লোক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য হারেজ মোল্লা এমন অভিযোগ মহিলা ইউপি সদস্য নাজমা বেগমের।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানায়, এই গোপালপুর গ্রামের হাজী ছাত্তার মোল্লার মোড় হতে এই রাস্তাটি ২০ বছর যাবত কোন মেরামতের কাজ হয়নি। বর্ষার সময় আমাদের যাতায়াতে অনেক কষ্ট হয়। পানি বন্দী হয়ে থাকে এই রাস্তাটি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন ১/২ হাজার লোকের যাতায়াত। এলজিএসপি-৩ এর প্রকল্পের আওতায় রাস্তা মেরামত করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলেও অর্ধেক টাকার কাজ হয়েছে স্থানীয়দের অভিযোগ।
সরেজমিন গিয়ে দেখাযায়, গোপালপুর ছাত্তারের মোড় থেকে বাবুর দোকান পর্যন্ত এলজিএসপি-৩ (বিবিজি) আর সিসি রাস্তা নির্মাণ করার কথা থাকলেও। কিন্তু গিয়ে দেখা যায় অর্ধেকের কম রাস্তা নির্মাণ করে কাজ শেষ করেছেন।
মহিলা ইউপি সদস্য নাজমা বেগম এই প্রতিবেদককে জানায়, আমাকে এই প্রকল্প কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে তা আমাকে জানানো হয়নি। কাজ শেষ হওয়ার পরে দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আমাকে ফোন করে বলে একটা প্রকল্পে স্বাক্ষর করতে হবে। আমি এসে স্বাক্ষর করেছি। কতটুকু কাজ হয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
এ বিষয়ে ৮নং ইউপি সদস্য হারেজ মোল্লা স্বীকার করে প্রতিবেদককে বলেন, গোপালপুর হাজী ছাত্তার মোল্লা মার্কেটের মোড় হতে বাবুর দোকানের মোড় পর্যন্ত রাস্তা হওয়ার কথা থাকলেও অর্ধেক কাজ করা হয়েছে। তবে তার দাবি ওই রাস্তার সমপরিমান টাকার কাজ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব খাইরুজ্জামান লিটন বলেন, প্রকল্পের অনুযায়ী অর্থ বরাদ্দ ছিল অপ্রতুল। এ কারণে প্রকল্প অনুযায়ী কাজ করা সম্ভব হয়নি। এখানে অর্থ আত্মসাতের কোন সুযোগ নেই।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনিসুর রহমান জানান, গোপালপুরের এলজিএসপির রাস্তাটি পরিদর্শন করা হবে। পরিপূর্ণ কাজ না করলে বিল পাবে না। প্রকল্প অনুযায়ী যতটুকু কাজ আছে ততটুকুই করতে হবে। যদি কাজে কোন অনিয়ম থাকে তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ১২-০৪-২০২১ ০৭:০০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 510 বার দেখা হয়েছে।
পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ