শিরোনামঃ
আব্দুল জলিল ০৭-০৪-২০২১ ০৮:৩৯ অপরাহ্ন |
ব্যক্তি মালিকানাধীন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গত বছরেও করোনাকালে ক্লাস ও কোচিং বাণিজ্য চালিয়েছে। ওই সময় প্রশাসন তাকে মৌখিক ভাবে সতর্ক করেছিল।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে ওই বিদ্যালয় এলাকায় অবস্থান নেন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক। মূল ফটকের সঙ্গে ছোট গেট সামান্য খোলা চলছিল বিদ্যালয়টি। ফলে বাইরে থেকে পাঠদানের কোনো আলামত বোঝা যাচ্ছিল না। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর দুয়েকজন শিক্ষার্থীকে ছোট গেটটি দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।
সাংবাদিকের উপস্থিতি বুঝতে পেরে একটু পরেই বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ করে দেন কর্তৃপক্ষ। পরে দেখা যায় সাইকেলের পেছনে বই বেঁধে শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরছে। এসময় তাদেরকে থামিয়ে জিজ্ঞাসা করলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, "ভোর থেকেই ক্লাশ শুরু হয় আমাদের। আজকে একটু আগেই ছুটি দিয়েছে।
ক্যামেরা দেখে শিক্ষার্থীদের অনেকেই দৌড়ে পালায়। অনেকে আবার ক্যামেরার সামনে কথাও বলতে চায়নি। সময় শিক্ষার্থীদের মুখে মাস্ক ছিল না।
বিদ্যালয়ে অবস্থানরত পরিচালকের ভাতিজা সবুজ জানান, এখানে কোন শিক্ষার্থী পড়তে আসে না। এটা ভূয়া খবর।
পরিচালকের স্ত্রী আফরিন জানান, আমরা বিদ্যালয় বন্ধ করে দিয়েছি। শিক্ষার্থীরা ফরম পূরণের জন্য বিদ্যালয়ে আসে। তবে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা কোন্ পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে আসে জানতে চাইলে তারা জানান এগুলোর কিছুই জানি না আমরা।
এদিকে লকডাউনে বিদ্যালয়ে ক্লাস চলায় অনেক অভিভাবকই চিন্তিত। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, আমার ছেলে এ সময় ক্লাস করতে চায়নি বলে পরিচালক অনেক গালমন্দ করেছে। এসময় ঝুঁকি নিয়ে স্কুল চালু রেখে আমাদের বিপদের মধ্যে ফেলেছে।
বিদ্যালয়টির পরিচালক ইয়াছিন আলী জানান, "আমার স্কুলে কোন ক্লাস চলে না। তবে জেএসসি ফরম পূরণের জন্য ছাত্ররা এসেছিল।"
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com