এনায়েতপুরে জলিল হত্যার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক মন্ত্রীর উপর দায়
০৪ মে, ২০২৬ ০২:৪০ অপরাহ্ন

  

এনায়েতপুরে জলিল হত্যার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক মন্ত্রীর উপর দায়

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি
২৫-০৩-২০২১ ০৩:০১ অপরাহ্ন
এনায়েতপুরে জলিল হত্যার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক মন্ত্রীর উপর দায়

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে দলীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত আব্দুল জলিলকে (৩৮) নিজেদের কর্মী দাবী করে তার হত্যার দায় সাবেক মন্ত্রী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের উপর চাপিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে এনায়েতপুর থানা আওয়ামীলীগ।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুর রশিদ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী বলেন, বুধবার (২৪ মার্চ) এনায়েতপুর থানার সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার পর গণনা শুরু হয়। গণনার শেষ পর্যায়ে সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাসের সমর্থিত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মাস্টার ও মনিরুজ্জামান মনির পরাজয় হচ্ছে জেনে লতিফ বিশ্বাস নিজে উপস্থিত থেকে তার ভাতিজা নান্নু বিশ্বাস এবং ছেলে মিঠু বিশ্বাসের নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে তারা সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল জলিলকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা কুপিয়ে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে লিখিত বক্তব্য তিনি দাবী করেন গত ১৬ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস তাকে মোবাইল ফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগকে লিখিত অভিযোগও করা হয়েছে। এদিকে সংবাদ সম্মেলনে নিহত জলিলকে ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য দাবী করলেও তার কোন প্রমাণ দেখাতে পারেননি নেতৃবৃন্দ। এ সময় ওই ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নিহত জলিল আমার আত্মীয়।

তিনি আওয়ামী লীগের একজন কর্মী। ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে তার নাম নেই বলেও জানান তিনি। সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভোট গণনার সময় সংসদ সদস্য মমিন মন্ডল ও জেলা নেতৃবৃন্দের সাথে আমিও ভেতরে ছিলাম। তবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সম্মেলনস্থলের বাইরে ছালাম ফকির ও বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়া হয়।

ভোট গণনা শেষে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আব্দুল জলিল নামে ওই ব্যক্তিকে কে বা কারা কুপিয়ে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনার সাথে আমি বা আমার পরিবারের কোন সদস্য জড়িত নই। নিহত জলিল আওয়ামী লীগ কর্মী কিনা সে বিষয়টি আমাদের জানা নেই।


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ২৫-০৩-২০২১ ০৩:০১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 1329 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com