কলকাতার লেখিকা "কর্ণিকার ল্যাপটপ" নামে বইটি শীঘ্রই বাজারে আসছে
জি,এম স্বপ্না : কর্ণিকা- বাংলা সাহিত্যের জগতে প্রথম এক মহিলা প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর চরিত্র, যে তার লেখনী সত্তার মাধ্যমে মানুষের কাছে পরলৌকিক তত্ত্বগুলিকে নিপুণতার সাথে তুলে ধরেছে ।এই গল্পগুলির ক্ষেত্রে প্রাধান্য পেয়েছে তার ল্যাপটপটি ।লেখিকা কর্ণিকা, ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিভ্রমণ করে গল্প লিখতে চেয়েছিলো ।জীবণের বিমর্ষতাগুলিকে কাটানোর ক্ষেত্রে এর চেয়ে বড় মাধ্যম তার কাছে আর ছিলোনা । কিন্তু জীবন তার নিজের খেলা খেলেই নেয় । নিয়তির লিখন । লৌকিক বিষয় নিয়ে চর্চাকারী কর্ণিকা হঠাৎ আবিষ্কার করে নিজেকে এক অলৌকিক জগতের মধ্যে । যা ছিলো তার কাছে নতুন ও এক অবর্ণনীয় সত্য । ধীরে ধীরে দৃশ্যমান সবকিছুকে লিখে ফেলতে থাকে ল্যাপটপের পর্দায় । হঠাৎ সবকিছু ওলোটপালোট হয়ে যায় । কর্ণিকার লেখনীর বাইরে গিয়েও ল্যাপটপ লিখতে থাকে বহু ঘটনার ইতিবৃত্ত । কর্ণিকা যার কোনটিই জানে না । কর্ণিকার সাথে বাস্তবে ঘটতে শুরু করে একের পর এক অলৌকিক ঘটনা । সেগুলি তার লেখার আগেই ল্যাপটপে কেউ লিখে দিতে শুরু করে । গল্প লিখতে গিয়ে সে নিজের জীবনে ঘটা ঘটনাগুলিকেই গল্প আকারে ফুটে উঠতে দেখে ল্যাপটপের পর্দায় । লেখিকা কর্ণিকার মনে পরলৌকিক জগতের প্রতি বিশ্বাস জন্মাতে থাকে। সে এই জগতের প্রতিটি ছন্দের সাথে তাল মিলিয়ে এগোতে শুরু করে । কখন লেখিকা সত্তাটি বদলে গিয়ে এক পরলৌকিক অনুসন্ধানকারীর রূপ নেয়, কর্ণিকা তা বুঝতেও পারেনা । এই যাত্রায় তার সঙ্গে থাকে সঙ্গী ঋভু । সেও সাক্ষী থাকে এই অলৌকিক আবর্তের । এভাবেই ঘটনার বিন্যাস হয়েছে আর এভাবেই তৈরী হয়েছে এক সম্পূর্ণ নতুন চরিত্র কর্ণিকার, যা ভৌতিক সাহিত্যের ইতিহাসে আলোড়ন ফেলার জন্য যথেষ্ট ।"কর্ণিকা " চরিত্র সৃষ্টি বাংলা ভৌতিক এবং আধি ভৌতিক সাহিত্যে এক নতুন ধারা সংযোজিত করল l অতীতের নিষ্ঠুরতাকে বর্তমানের ভয়ঙ্কর অভিঘাতে বাস্তব এবং অবাস্তবের কল্পনায় ব্যক্ত করে চলেছে "কর্ণিকার ল্যাপটপ "।সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার কাহিনীগুলিকে নিয়ে তৈরী এই সংযোজন ভৌতিক সাহিত্যের ক্ষেত্রে নতুন করে কিছু বিষয়কে নিয়ে মানুষকে ভাবতে বাধ্য করবে । ভৌতিক গল্পের ক্ষেত্রে একটি ইলেকট্রনিক বস্তুকে স্থান দেওয়া হয়েছে - 'ল্যাপটপ'- যার মাধ্যমে চরিত্রের মেলবন্ধনগুলিকে নিপুণতার সাথে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে । বাস্তবের মাটিতে পা রেখেও অবাস্তব জগতের এক অবিস্মরণীয় রূপকে তুলে ধরেছে কর্ণিকার ল্যাপটপটি । ল্যাপটপকে ঘিরেই প্রতিটি নতুন নতুন সারণী রচিত হয়েছে, তার পাশাপাশি কর্ণিকার জীবণের ভয়ঙ্কর অনুভূতিগুলিও ভীষণ অদ্ভুতভাবেই ল্যাপটপে বর্ণিত কথাগুলির সাথে সম্পর্কিত হয়ে গেছে ।এই ভাবনা ও বাস্তবের মিল ঘটাতেই কর্ণিকা চরিত্রটির সার্থকতা রচিত হয়েছে । নীলগিরির বিভীষিকা,চন্দ্রচূড়গড়ের আতঙ্ক,জব্বলপুরের অভিশপ্ত আংটি,জর্জ সাহেবের পুরোনো কুঠি ও অপূরিত মায়াঙের মায়াবী মন্দির এই প্রতিটি গল্পেই একটির সাথে আরেকটির মেলবন্ধন রচিত হয়েছে । কর্ণিকার জীবণের গতিপ্রকৃতির সাথেই গল্পগুলিকে সংঘবদ্ধ রূপপ্রদানের চেষ্টা করা হয়েছে ।জীবণের বাজি রেখে কর্ণিকা আর ঋভু তার নিজস্ব অনুভূতিগুলিকে তুলে ধরেছে এই গ্রন্থে। বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটরের কাহিনী কর্ণিকার ল্যাপটপ।লেখিকা কর্ণিকার নিজেকে প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর হিসাবে আবিষ্কারের কাহিনী এই 'কর্ণিকার ল্যাপটপ'।"কর্ণিকা " চরিত্র সৃষ্টি বাংলা ভৌতিক এবং আধি ভৌতিক সাহিত্যে এক নতুন ধারা সংযোজিত করল l অতীতের নিষ্ঠুরতাকে বর্তমানের ভয়ঙ্কর অভিঘাতে বাস্তব এবং অবাস্তবের কল্পনায় ব্যক্ত করে চলেছে "কর্ণিকার ল্যাপটপ "।সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার কাহিনীগুলিকে নিয়ে তৈরী এই সংযোজন ভৌতিক সাহিত্যের ক্ষেত্রে নতুন করে কিছু বিষয়কে নিয়ে মানুষকে ভাবতে বাধ্য করবে । ভৌতিক গল্পের ক্ষেত্রে একটি ইলেকট্রনিক বস্তুকে স্থান দেওয়া হয়েছে - 'ল্যাপটপ'- যার মাধ্যমে চরিত্রের মেলবন্ধনগুলিকে নিপুণতার সাথে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে । বাস্তবের মাটিতে পা রেখেও অবাস্তব জগতের এক অবিস্মরণীয় রূপকে তুলে ধরেছে কর্ণিকার ল্যাপটপটি । ল্যাপটপকে ঘিরেই প্রতিটি নতুন নতুন সারণী রচিত হয়েছে, তার পাশাপাশি কর্ণিকার জীবণের ভয়ঙ্কর অনুভূতিগুলিও ভীষণ অদ্ভুতভাবেই ল্যাপটপে বর্ণিত কথাগুলির সাথে সম্পর্কিত হয়ে গেছে ।এই ভাবনা ও বাস্তবের মিল ঘটাতেই কর্ণিকা চরিত্রটির সার্থকতা রচিত হয়েছে । নীলগিরির বিভীষিকা,চন্দ্রচূড়গড়ের আতঙ্ক,জব্বলপুরের অভিশপ্ত আংটি,জর্জ সাহেবের পুরোনো কুঠি ও অপূরিত মায়াঙের মায়াবী মন্দির এই প্রতিটি গল্পেই একটির সাথে আরেকটির মেলবন্ধন রচিত হয়েছে । কর্ণিকার জীবণের গতিপ্রকৃতির সাথেই গল্পগুলিকে সংঘবদ্ধ রূপপ্রদানের চেষ্টা করা হয়েছে ।জীবণের বাজি রেখে কর্ণিকা আর ঋভু তার নিজস্ব অনুভূতিগুলিকে তুলে ধরেছে এই গ্রন্থে। বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটরের কাহিনী কর্ণিকার ল্যাপটপ।লেখিকা কর্ণিকার নিজেকে প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর হিসাবে আবিষ্কারের কাহিনী এই 'কর্ণিকার ল্যাপটপ'।