বীরাঙ্গনাদের কাহিনী নিয়ে নির্মিত ছবি ‘একজন মহান পিতা’ ১৮ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন

  

বীরাঙ্গনাদের কাহিনী নিয়ে নির্মিত ছবি ‘একজন মহান পিতা’ ১৮ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে

আব্দুল জলিল
০৬-১২-২০২০ ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
বীরাঙ্গনাদের কাহিনী নিয়ে নির্মিত ছবি ‘একজন মহান পিতা’ ১৮ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ  ছবির নির্মাণ কাজ শেষ। মুক্তির অপেক্ষায়  থাকা ‘একজন মহান পিতা’ অবেশেষে মুক্তির দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর শুক্রবার দেশের অনেকগুলো প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে এই ছবিটি। ‘একজন মহান পিতা’ বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র যেখানে উঠে এসেছে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর নির্যাতিত মেয়েদের যাপিত জীবনের করুণ কাহিনী। যখন নির্যাতিতা মায়েদের সন্তানদের পিতৃপরিচয় না থাকায় সমাজে চলার প্রায় সব পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল ঠিক তখনই  জাতির পিতা তাদেরকে নিজের মেয়ে বলে স্বীকৃতি প্রদান করেন। তাদের নতুন নাম দেন ‘বীরাঙ্গনা’। এমন একটি ঐতিহাসিক ও ট্রাজিক গল্প নিয়ে নান্দনিক ও জীবনঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্রের নির্মাতা মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন। তিনিই এই ছবির কাহিনী ও চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন।  

চলচ্চিত্রটি প্রযোজনার মধ্যে দিয়ে প্রয়োজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি  শেখ শাহ আলম। এই ছবিতে জুটি বেঁধে কাজ করছেন মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেনের কন্যা নবাগত মির্জা আফরিন ও হিমেল রাজ। অন্যান্য  চরিত্রে অভিনয় করেন  ছবির প্রযোজক শেখ শাহ আলম, আলভি সরকার, সৃষ্টি মির্জা, সাগরিকা মন্ডল, রাশেদুল ইসলাম রাজিব, রাশেদ রেহমান, শ্যামল কান্তি নাগ, রেজাউল রাজু, চান মিয়া সওদাগর প্রমূখ।

বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোট নিবেদিত এই ছবিতে মহান মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক একটি বিষয়কে উপজীব্য করে নির্মিত ছবিটি নিয়ে আশাবাদী পরিচালক মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন। এই প্রতিবেদককে তিনি জানান, ‘জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ‘একজন মহান পিতা’ চলচ্চিত্রটি খুব কম সময়ে শুটিং শেষ করেছি। এতে প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন হিমেল রাজ ও মির্জা আফরিন। বেশ ক'বছর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সীমাহীন উদারতার একটি বিষয়কে উপজীব্য করে এই গল্পটি লিখেছিলাম। ২০১৬ সালে এই গল্প নিয়ে একটি বেতার নাটকও নির্মাণ করেছিলাম। সেই গল্পটি ভেঙে আরও জীবন্ত করে তোলার চেষ্টা করেছি ‘

ছবির প্রযোজক শেখ শাহ আলম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে সৃস্থ্যধারার সংস্কৃতির কোন বিকল্প নেই। যুব সমাজ নাটক, সিনেমা, গান, কবিতা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। মরণ নেশা এখন মারণাস্ত্র  হয়ে নিরবে ঘায়েল করছে যুবশক্তিকে। এসব থেকে বাঁচার জন্যে যে পদক্ষেপগুলো নেয়া যেতে পারে তার জরুরি একটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ পরিবেশনা। আর সেটি যদি হয় চলচ্চিত্র তাহলে যুব সমাজকে সঠিক পথে টানতে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই এই স্পর্ধিত প্রয়াসকে আলোর মুখ দেখাতে সাথে পেয়েছি মির্জা সাখাওয়াত হোসেনের মতো গুণী পরিচালককে। ১৮ ডিসেম্বর বেশকটি হলে ছবিটি আসছে। এসময় তিনি হলে গিয়ে ছবিটি পরিবার পরিজন নিয়ে দেখার আমন্ত্রণ জানান।


আব্দুল জলিল ০৬-১২-২০২০ ১১:০৪ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 503 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com