সংসদ উপ নির্বাচন সিরাজগঞ্জ- ১ কাজিপুর ----- ২ নং চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নে সেরা হাজরাহাটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্টাফ রিপোর্টারঃ সিরাজগঞ্জ-১ কাজিপুর আসনের উপ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫১.৭৫ শতাংশ। আ.লীগ প্রার্থী তানভীর শাকিল জয় পেয়েছেন ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩২৫ ভোট। ধানের শীষ মার্কায় বিএনপির সেলিম রেজা পেয়েছেন ৪৬৮ ভোট। ফফলাফল বিশ্লেষণ- ২ নং চালতাডাঙ্গা ইউনিয়ন
মোট ভোট কেন্দ্র ১১ টি। এই ইউনিয়নে আ.লীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বেলাল, সহসভাপতি উপজেলা আ.লীগ এবং শামস ইলাহী সাংস্কৃতিক সম্পাদক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহিন আলম। ভোটের মাঠে শক্ত অবস্থানে ছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগ নেতা আতিকুর রহমান মুকুল।এবারে চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়ন অতীতের যেকোন বারের চেয়ে নৌকার জোয়ার বইয়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এই ইউনিয়নে প্রথম স্থানে রয়েছে হাজরাহাটি সপ্রাবি কেন্দ্র। এখানে মোহাম্মদ নাসিম স্মৃতি সংসদের একঝাঁক তরুণ তুর্কী কাজ করেছেন মনপ্রাণ দিয়ে। তারা ভোটারদের কেন্দ্রে টানতে সক্ষম হয়েছেন।
মোট ভোটার ১৩২৫। ভোট পড়েছে ৯২০। শতকরা হার ৬৯.৪৩। এটাই এই ইউনিয়নের সেরা ফলাফল।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মাথাইলচাপড় সপ্রাবি কেন্দ্র । এখানে আ.লীগের জাহাঙ্গীর প্রফেসর রয়েছেন। যুবলীগের সাবেক নেতা হেলালুর রহমান, কুদ্দুস মেম্বর কাজ করেছেন। মোট ভোটার ২৮৮৫। ভোট পড়েছে ১৯০১ টি। শতকরা হার ৬৫.৮৯।
তৃতীয় অবস্থানে লক্ষীপুর সপ্রাবি কেন্দ্র। এখানে কাজ করেছেন ওসমান গণি মাস্টার,যুবলীগ নেতা প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ ফজলুল হকসহ অন্যরা। মোট ভোটার ১৪১৮। ভোট পড়েছে ৯০২। ধানের শীষ ১ টি। শতকরা হার ৬৩.৬১।
চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভানুডাঙ্গা সপ্রাবি কেন্দ্র। এখানে ভোটের জন্যে কাজ করেছেন শাহজাহান , উত্তম, রাজমোহর প্রমূখ। মোট ভোটার ২১৮২। ভোট পড়েছে ১৩৭৭। ধানের শীষ ১ ভোট। শতকরা হার ৬৩.১১।
পঞ্চম অবস্থানে শিমুলদাইড় উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র। মোট ভোটার ৪৬৪৭। ভোট পড়েছে ২৯১০। শতকরা হার ৬২.৬২। এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন, বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মুকুল ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ইউনিয়ন আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আলম।
ষষ্ঠ অবস্থানে সাতকয়া সপ্রাবি কেন্দ্র। এখানে ভোটের মাঠে কাজ করেছেন ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজু মেম্বরসহ অন্যরা। এখানে মোট ভোটার ২২৪৪। ভোট পড়েছে ১৪০০। শতকরা হার ৬২.৩৯।
সপ্তম অবস্থানে কবিহার নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়। এখানে ভোটারদের সংগঠিত করেছেন ফরিদ মাস্টার, রাজ্জাক মাস্টার, শাহ আলী প্রমূখ। মোট ভোটার ২৪১৮। ভোট পড়েছে ১৪৮৭। ধানের শীষ ২ টি। শতকরা হার ৬১.৫০।
অষ্টম অবস্থানে চালিতাডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র। এখাণে ভোট দিয়েছেন ধানের শীষের বিএনপি প্রার্থী সেলিম রেজা। তিনি একাই ভোট দিয়েছেন। তার পরিবারের কেউই ভোট দেননাই বলেই মনে হয়েছে। কারণ এখানে ধানের শীষের ভোট মাত্র ১ টি। নেতাদের মধ্যে ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতি বাদশা তালুকদার, উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম উল্লেখযোগ্য। সায়েম ভোটের মাঠ চষে বেড়িয়েছেন। মোট ভোটার ৩৬৯২। ভোট পড়েছে ২২৩৫। ধানের শীষ ১ টি। শতকরা হার ৬০.৫৪।
নবম অবস্থানে রয়েছে চরভানুডাঙ্গা সপ্রাবি। মোট ভোটার ৪২৮৭। ভোট পড়েছে ২৪৭৭ টি। শতকরা হার ৫৭.৭৮। এখানে কাজ করেছেন প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস আলম, সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন, কামরুল ইসলাম, শাহিন আলম প্রমূখ।
দশম অবস্থানে হাটশিরা সপ্রাবি ভোটকেন্দ্র। মোট ভোটার সংখ্যা ২২৬৫। ভোট পড়েছে ১২৯২। শতকরা হার ৫৭.০৪। এখানে ভোটারদের সমন্বয় করেছেন হায়দার মেম্বর, টেনু মাস্টার প্রমূখ।
একাদশ অবস্থানে রয়েছে উত্তর বর্শিভাঙ্গা বুজরক আলী বেগম ময়না উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র। মোট ভোটার ১৩২৫। ভোট পড়েছে ৭৪৬। শতকরা হার ৫৬.৩০। এখানে ভোটার সমন্বয় করেছেন ব্যবসায়ী শরিফ সোহেল । তিনি জানান এখানকার যারা চাকুরিজীবী ও ভোটার তারা আসেননি। উপস্থিতদের মধ্রে শতভাগ ভোট পড়েছে নৌকায়। নিকট অতীতে এই কেন্দ্রে নৌকারে সেরা ভোট এটি।
পুণশ্চ উপজেলায় মোট প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হার ৫১.৭৫ এর নিচে কোন কেন্দ্র নেই।
নিজ ইউনিয়ন সম্পর্কে চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মুকুল জানান, ‘ ইউনিয়নের প্রতিটি নির্বাচনী সভায় আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম যে কেন্দ্র বেশি ভোট টানতে পারবে তাদের পুরস্কার দেয়া হবে। এটা পেয়েছে যোগ্যতর ভোটের কারিগর মোহাম্মদ নাসিম স্মৃতি সংসদ হাজরাহাটি। দলীয় নেতাকর্মিদের আন্তরিক প্রচেষ্টা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আশা করছি আমাদের এমপি মহোদয় এই ফলাফল বিবেচনাপূর্বক উন্নয়নেরও আমরা আগ্রাধিকার পাবো।’ আগামীর নির্বাচগুলোতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল।