শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ০৭-১১-২০২০ ০১:১৮ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে একটি গ্রামের যাতায়াতের সরকারী হালট দখল করে জোর পুর্বক ঘর তোলার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এদিকে ওই হালট দখলের ফলে গ্রামের কৃষক ও মৎস্যচাষীরা তাদের পুর্ব দিকের ফসলী মাঠে ও মৎস্য খামারে যেতে পারছেন না। ফলে তারা প্রতিকার চেয়ে তাড়াশ ইউএনও সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন । ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের আড়ংগাইল গ্রামে।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী আকবার আলী ও তার লোকজন জোর পুর্বক আড়ংগাইল গ্রামের দক্ষিণ পাশে পাকা সড়ক থেকে ফসলী মাঠে যাতায়াতের সরকারী হালটে জোর পুর্বক প্রভাব খাটিয়ে দখল করে টিনের ঘর তোলে । এতে করে আড়ংগাইল গ্রামের পুর্ব মাঠের এক অংশে ফসলী জমি ও একাধিক মৎস্য খামারে যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
গ্রামের মৎস্য খামারী ছবের আলী বলেন , ১৯৪৯ ও ১৯৫০ দাগ নম্বর দুটি তার নিজস্ব সম্পত্তি । মাঝখানে ১৯৪৮ দাগ নম্বরটি সরকারী হালট হিসেবে উল্লেখ আছে। অথচ প্রভাবশালী আকবার আলী ও তার লোকজন ওই সরকারী হালটটি দখল করে নেন। এতে করে আসন্ন রোপা আমণ ধান কাটা শুরু হলে কৃষক ওই পথ দিয়ে ফসল আনা নেয়া করতে পারবেন না। এমনকি ইতিমধ্যেই ওই মাঠে থাকা একাধিক মৎস্য খামারে মাছের খাদ্য পরিবহণ , বিক্রিত মাছ নিয়ে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে অভিযুক্ত আকবার আলী (০১৭৮৪-২২৯৪৮৭) মোবাইল ফোনে বলেন, ঘর তোলা জায়গাটির তার নিজ নামীয় সম্পত্তি ও কাগজ পত্র রয়েছে। এর বেশী তিনি আর কিছু না বলে ফোন কেটে দেন।
দেশীগ্রাম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস জানান , সরকারী হালট নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে গত ৩০ অক্টোবর শালিসী বৈঠক বসে। সে শালিসী বৈঠকে স্থানীয় সরকারী হালট খালি করে দিয়ে টিনের ঘর ভেঙ্গে নেয়ার জন্য বলা হয়। কিন্ত ওই প্রভাবশালীরা ঘরগুলো অপসারণ না করে সরকারী হালট এখনো দখলে রেখেছেন । বিষয়টি নিয়ে আইনী পদক্ষেপের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।
তাড়াশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
তাড়াশ ইউএনও মোঃ মেজবাউল করিম বলেন , অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com