শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ২২-১০-২০২০ ১২:৪১ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি: পৌরসভা গঠনের তিন বছর হলেও উন্নয়নের তেমন কোন ছোঁয়া লাগেনি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌরসভা এলাকায়। উপজেলা সদরের এই পৌরসভায় নাগরিক সুবিধা বলতে কিছু নেই। এখানকার ওয়ার্ডগুলোতে আধুনিকতার কোন ছোঁয়া লাগেনি। বৈদ্যুতিক বাতি, পানি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তাা-ঘাটের দূরাবস্থাসহ আধুনিক নাগরিক সুবিধা না থাকায় নানান সমস্যার কারণে নাজেহাল পৌরবাসী। উপজেলার সদরে পৌর বাজার এলাকায় রয়েছে নানা সমস্যায় জর্জরিত।
স্থানীয় ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, বাজার এলাকার সরু রাস্তায় যানবাহন চলাচলেও যানজটের কবলে পড়তে হয়। বাজার এলাকায় প্রভাবশালীরা রাস্তা দখল করে রাখলেও নজর নেই পৌরসভা কর্তৃপক্ষের। এছাড়াও বাজারের মধ্যে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
জানা যায়,২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর ২৭.৫৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে তাড়াশ পৌরসভা স্থাপিত হয়। পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রসাশক নির্বাচিত হয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আর পৌর সচিব এর দায়িত্বে রয়েছেন মো. আশরাফুল আলম ভুইয়া। পৌরসভা গঠনের তিন বছর অতিবাহিত হলেও বদল হয়নি পৌরসভার উন্নয়ন চিত্র।
তাড়াশ পৌরসভার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ বলেন, উপজেলা সদরের বাজার হবার পরেও তাড়াশের রাস্তা-ঘাটের করুন দশা। সামান্য বৃষ্টিতে বাজারের মধ্যে জমে থাকা পানি ও কাদায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাছাড়া সরকারিভাবে নির্মাণ করা নিউ মার্কেট ও মিটশেডগুলোও ভূমিদস্যুরা দখল করে রেখেছে।
একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান, পৌরবাজারের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ব্যবস্থা করে সরকারি শেড নির্মাণ করে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে বরাদ্দ দেয়া হলে এক দিকে যেমন সাধারণ ব্যবসায়ীদের সুবিধা হবে, অপরদিকে সরকারের ঘরে আসবে বিপুল অংকের রাজস্ব। তারা আরো জানান, বাজারের স্যানিটেশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে ভেঙ্গে পড়লেও কোন সংস্কার নেই।
তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. মেজবাউল করিম জানান, উপজেলায় নতুন এসেছি। সমস্যার কথা আপনার মাধ্যমে জানলাম। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানান তিনি।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com