শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সলংগা ১০-১০-২০২০ ০৮:৫৮ অপরাহ্ন |
তবে তার মধ্যে একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে হস্তচালিত করাত কল।। ৯০ দশকের দিকেও কিছু কিছু এলাকাতে দেখা যেতো। ২০০০ সালের পরে আর দেখা মেলে না করাত কল। যারা এ কাজ করে তাদেরকে করাতী বলা হত।
ফেসবুকে হঠাৎ করে ছবিটা চোখে পড়ায় ছবিটা সংগ্রহ করলাম। এখন ডিজিটাল যুগ বলে কথা। বিভিন্ন কল কারখানা মেশিন দ্বারা পরিচালিত আর সেই আগের যুগে এই কাজ গুলো হাতে করতো এখন সেই কাজ গুলোই মেশিন দ্বারা পরিচালিত। গ্রামীন এই স-মিল গুলো আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাঁশ কাঠ দিয়ে মাচা বানিয়ে ৩-৪ জন মানুষ কাঠ চেরাই করতো, সেই চেরাই এখন মেশিনে হয়। বিভিন্ন বাজার ঘাটে এখন মেশিন বা মটর চালিত স-মিল দেখা যায়।
অথচ এই হস্ত চালিত চেরাই মিল দেখা যায় না। সব কিছু কালের পরিবর্তন,আর আধুনিকতার ছোয়া। রায়গঞ্জের নলকা ইউপির হোড়গাঁতী গ্রামের ৭৮ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ জানান, আগে একটা ঘরের কাঠ চেরাই করতে ৮-১০ দিন সময় লাগতো আর এখন ২ ঘন্টা সময়ে তা করা সম্ভব। সব কিছুই কালের পরিবর্তন।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com