তাড়াশে মাদ্রাসার নাম ভাঙ্গিয়ে জায়গা দখলের অভিযোগ
আশরাফুল ইসলাম রনি:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাদ্রাসার নাম ভাঙ্গিয়ে চাদঁ আলী নামের এক ব্যাক্তির ক্রয়কৃত জায়গা দখলের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। উপজেলার তালম ইউনিয়নের জন্তিপুর গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, জন্তিপুর দারুল উলুম কওমিয়া হাফিজিয়া নামে মাদ্রাসাটি করার জন্য ৬শতক জায়গা দান করে ওই গ্রামের ওসমান আলী। সেই জায়গাতে মাদ্রাসা স্থাপিত হয়। কিন্ত মাদ্রাসার ছাত্রের সংখ্যা বেশি হওয়াতে কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক গ্রামের কবরস্থানে মাদ্রাসাটি স্থানান্তর করা হয়। পরে গত ২০১২ সালে মাদ্রাসার কমিটির রেজুলেশনমুলে পুরাতন জায়গাটি জমিদাতা ওসমান আলীর ছেলে চাদঁ আলীর কাছেই বিক্রী করা হয়। এরপরে চাদ আলী সেই জায়গাটি ভোগদখল করে আসছে।
কিন্ত গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী শমসের হোসেন, আমজাদ আলী, জামাল, বাবলু, রশিদ, হাফিজুর ও মতিন হোসেন নামের ব্যাক্তিরা মাদ্রাসা কমিটিতে স্থান না পেয়ে পুর্ব বিরোধের জের ধরে চাদঁ আলীর জায়গা দখল করে মাদ্রাসার নাম ভাঙ্গিয়ে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়েছে তারা।
চাঁদ আলী জানান, জায়গা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। আমার বাবা প্রথমে ৬শতক জায়গা দান করেন মাদ্রাসা করার জন্য। পরে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় মাদ্রাসা গ্রামের কবরস্থান সংলগ্ন করায় এই ৬শতক জায়গা গ্রাম ও কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রেজুলেশন করে আমার কাছেই বিক্রী করেন। কিন্তু তারা পুর্ব বিরোধের জেরে আমার ক্রয়কৃত জায়গা দখল করছে।
উপজেলার জন্তিপুর কবরস্থান দারুল উলুম কওমিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি মো. মজিবর রহমান জানান, গ্রামের কিছু দুস্কৃতিকারীরা মাদ্রাসার কমিটিতে স্থান না পাওয়ার কারনে তারা চাদঁ আলীর জায়গা দখল করার চেষ্টা করছে। কারন পুর্বের মাদ্রাসার ৬শতক জায়গা চাদঁ আলীর বাবার দানকৃত ছিল। সেই জায়গা থেকে মাদ্রাসাটি কবরস্থানে স্থানান্তর করার সময়ে টাকার প্রয়োজনে সেই ৬শতক জায়গা বাজার মুল্যে জায়গাদাতা ওসমান আলীর ছেলে চাঁদ আলীর কাছে বিক্রী করা হয়।
তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাউল করিম বলেন, জন্তিপুর দারুল উলুম কওমিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা সম্পত্তির দলিলাদি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।