শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ২৫-০৯-২০২০ ১২:৩২ অপরাহ্ন |
পরমপ্রিয় নিত্যানন্দ গোস্বামী নয়ন আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তার সাথে আমাদের কত কথা কত ছবি। ১৯৮৬ সালে গ্রাম থেকে তাড়াশে পড়তে এসেছি। হঠাৎ শুনতে পেলাম একজন হিন্দু ধর্মগুরু এসেছেন তাড়াশ শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ নাট মন্দিরে। নাম তার নয়ন গোস্বামী। তাকে নিয়ে রীতিমতো টানটান উত্তজনা। মুক্তিযুদ্ধ চেতনায় বিশ্বাসীরা তাকে সাদরে গ্রহন করলেন। এরশাদ সমর্থিত ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা আরেকটি পক্ষ তাকে ভারতীয় 'র' এজেন্ট বলে চিহ্নিত করলেন। পুলিশ তাকে থানায় ডেকে পাঠালেন। প্রমাণের অভাবে ছাড়তে বাধ্যও হলেন। মন্দির প্রাঙ্গণে তখন দলিল লেখকেরা বসতেন।
জীর্ণ মন্দিরটি সংষ্কারের দাবি তুললেন তিনি। যুব সমাজ কে নিয়ে গঠন করলেন হরিনাম প্রচার সংঘ। নেতৃত্ব এলেন তরুণ তুর্কী তপন গোস্বামী, সঞ্জিত কর্মকার সহ আরো অনেকে। কিন্তু হরিনাম প্রচারের চাইতে নয়ন গোস্বামীর বেশি আগ্রহ দেখা গেলো যুব সম্প্রদায় কে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা। ভোরে উঠে যোগ ব্যায়াম করা। সমাজসেবার কাজে অংশ নেয়া ইত্যাদি। তিনি তাড়াশ ও সিরাজগঞ্জ সদরে যুব সমাজের মধ্যমনি হলেন। বাবু নরেশ শর্মা কে সাথে নিয়ে বের করলেন মাসিক ধর্মীয় জাগরণী বার্তা।
এ পত্রিকায় আমার অনেক লেখা ছাপা হয়েছে। এ পর্যায়ে দলাদলি আর নানা জটিলতায় বর্ণ হিন্দুদের সাথে নয়ন গোস্বামীর দুরুত্ব সৃষ্টি হলো। তিনি দৃষ্টি ফেরালেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের দিকে। উরাঁও, মাহাতো, সিং, বসাক, মুরারি ইত্যাদি সম্প্রদায়ের শত,শত মানুষ তার শিষ্যত্ব গ্রহণ করলেন। আমৃত্যু এদের সঙ্গেই ছিল তাঁর প্রাণের যোগাযোগ। লেখক : সাংবাদিক সনাতন দাস, সভাপতি, তাড়াশ প্রেসক্লাব। চলবে....
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com