শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ০৩-০৯-২০২০ ০৪:২৯ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার রাস্তাঘাট, বাজার এলাকা ও সড়কের মোড়ে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার, পেট্রলসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ। কোনো ধরনের নীতিমালা না মেনে এভাবে দাহ্য পদার্থ বিক্রি করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, উপজেলার পৌর বাজার, বিনসাড়া বাজার, বারুহাস বাজার, নওগাঁ বাজার, খালখুলাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অবাধে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানির এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার, পেট্রলসহ নানা দাহ্য পদার্থ। বিভিন্ন দোকানে এক লিটার অথবা আধা লিটার ওজনের প্লাস্টিকের বোতলে পেট্রল ভরে পসরা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। যে কেউ ইচ্ছা করলেই বোতলভর্তি পেট্রল কিনতে পারেন। অথচ দাহ্য পদার্থ বিক্রি করতে হলে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নিবন্ধন থাকা বাধ্যতামূলক।
রাজশাহী বিভাগীয় বিস্ফোরক পরিদপ্তর সূত্র জানায়, সরকারি বিধি মোতাবেক গ্যাস সিলিন্ডার, পেট্রল, মবিল বিক্রির জন্য কমপক্ষে পাকা মেঝেসহ আধা পাকা ঘর, ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপণ সক্ষমতা-সংক্রান্ত লাইলেন্সসহ অগ্নিনির্বাপণ সিলিন্ডার এবং মজবুত ও ঝুঁকিমুক্ত সংরক্ষণাগার থাকতে হবে। একজন ব্যবসায়ী ওই সব শর্ত পূরণ করলেই কেবল বিস্ফোরক দ্রব্য বিক্রির নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন। বিস্ফোরক দ্রব্য বিক্রির লাইসেন্স ছাড়া কোনো দোকানে দাহ্য পদার্থ বিক্রি করা যাবে না।
স্থানীয় আব্দুল মজিদ বলেন, এ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে দিন দিন দাহ্য পদার্থ বিক্রি করা দোকানের সংখ্যা বাড়ছে। অনেকে কোমল পানীয়র বোতলে ভরে দাহ্য পদার্থ পেট্রল বিক্রি করছেন।
তাড়াশ বাজারের একজন ব্যবসায়ী বলেন, এ উপজেলায় শুধু দুজনের এ সংক্রন্ত লাইসে¯œ রয়েছে। আর কারো কোন লাইসেন্স নেই।
গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা ছোট ব্যবসায়ী। সারা দিনে দু-একটা সিলিন্ডার বিক্রি করি। এ আইন সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই।’ লোকজনের চাহিদা থাকায় ডিলারদের কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে এসে বিক্রি করেন বলে তিনি জানান।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার একাধিক বাসিন্দা বলেন, উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে প্রায় ৩২টি দোকানে বিভিন্ন কোম্পানির এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া উপজেলার প্রায় সব বাজারের বিভিন্ন দোকানে বোতলে ভরে পেট্রল বিক্রি করা হয়। অনুমোদনহীন এসব দোকান দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে তাঁরা জানান।
তাড়াশ ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের সাব-অফিসার এস.এম রেজাউল করিম বলেন, যাঁদের নামে অনুমোদন আছে তাঁরাই শুধু এলপি গ্যাস সিলিন্ডার, পেট্রলসহ দাহ্য পদার্থ বিক্রি করতে পারবেন। এছাড়া আমাদের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কোন নিদের্শনা নেই বলেই কোন ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com