শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ২৪-০৮-২০২০ ০৫:৩৫ অপরাহ্ন |
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিরাজগঞ্জ সদরে বন্যা মোকাবেলায় প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় নাবী জাতের রোপা আমন ধানের আপদকালীন কমিউনিটি বীজতলা, ট্রেতে বীজতলা ও ভাসমান বীজতলা স্থাপন করা হয়েছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, সম্প্রতিক বন্যা এবং বন্যার পানি জমে রোপা আমন ধানের বীজতলা বেশকিছু এলাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষতি মোকাবেলায় আপদকালীন বীজতলা তৈরী করেছেন।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রোস্তম আলী জানান, রোপা আমন ধানের বীজতলার ক্ষতি মোকাবেলায় প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় সদও উপজেলায় মোট ৫একর জমিতে আপদকালীন কমিউনিটি বীজতলা, ২০টি ভাসমান বীজতলা ও রাইচ ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে রোপনের জন্য ৪১৬টি ট্রেতে চারা স্থাপন করা হয়েছে। বীজতলা যেসব কৃষকের জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, সে সকল এলাকার কৃষককে ১.৬৫ শতকের বীজতলার চারা প্রদান করা হবে যাতে ১ বিঘা জমিতে চারা লাগাতে পারে। মোট ৩০৩ জন কৃষক ৩০৩ বিঘা জমির চারা পাবেন। ২০টি ভাসমান বীজতলা ৫জন কৃষককে ৪ টি কওে ভাসমান বীজতলার চারা পাবেন এবং ৪১৬টি ট্রের ১৬জন কৃষককে ১৬বিঘা জমিতে রাইচ ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে রোপনের জন্য চারা প্রদান করা হবে।
তিনি আরো জানান, বড় হামকুড়িয়া, পোটল ছোনগাছা, নিয়োগীবাড়ী ও চন্দ্রকোনা গ্রামে কমিউনিটি বীজতলা, দত্তবাড়ী গ্রামে ট্রের বীজতলা এবং পাঁচঠাকুরী গ্রামে ভাসমান বীজতলা স্থাপিত হয়েছে। বীজতলার অবস্থা বেশ ভাল। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে এসব চারা কৃষকের মাঝে বিতরন করা হবে।
বড়হামকুড়িয়া গ্রামের কৃষক এস এম স্বপন, কৃষি বিভাগের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং রোপা আমনধানের জাতটি নাবী হওয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের সহায়তা পাবে এবং ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবে।
কৃষি বিভাগের আপদকালীন বীজতলা গুলো কৃষকের মাঝে সাড়া ফেলেছে। বন্যার ক্ষতি মোকাবেলায় এসব চারা কৃষকের চাহিদা মোকাবেলা করতে সক্ষম না হলে ও অনেকটা উপকাওে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com