শিরোনামঃ
আব্দুল জলিল ১৯-০৮-২০২০ ০৪:৫৯ অপরাহ্ন |
স্টাফ রিপোর্টারঃ বুধবার রাত সাড়ে নয়টা। পল্লীর আর সব গ্রামের মানুষের মতোই দিনের ক্লান্তি শেষে ঘুমিয়ে পড়েছেন পরিবারের ছোট শিশুরা। বয়ষ্করা নিচ্ছেন প্রস্তুতি ।হঠাৎ দূর থেকে শব্দ করে একটি গাড়ি এসে ঢুকলো সোনামুখী ইউনিয়নের কৃষ্ণগোবিন্দপুর গুচ্ছগ্রামে। ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন সবাই। গাড়ি থেকে নেমে আসেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী, সহকারি কমিশনার(ভূমি)ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম আরিফুল ইসলাম এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলহাজ্ব একেএম শাহা আলম মোল্লা। তাদের গাড়ি ভর্তি শুকনো থাবারের বস্তা। হতদরিদ্রদের জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রির উপহা রের বস্তাগুলো উপস্থিত ৫৭ টি পরিবারের হাতে তৃলে দেন তারা।
রাতের আঁধারে খাবার পেয়ে গুচ্ছগ্রামের প্রবীন বাসিন্দা মোহাম্মদ নামদার বলেন, ‘ সারাদিন খাইটা আইজ তেমন কিছুই পাই নাই। বিছানায় শুইয়া ভাবতাছি, কি করবো। সকালের খাবার ঘরে আনতে পারি নাইকা। হঠাৎই গাড়ি আসে। আর দেখি আমাগো ইউএনও স্যার আইছে। কাছে ডাইকা নিয়া খাবারের বস্তা দিলো। কিযে ভালো লাইগত্যাছে!
কথা বলেন, বিধবা আনোয়ারা খাতুন। তিনি জানান, ‘এই স্যার যে আমাদের এতো খোঁজ নেয় মনে হয় নিজের মানুষও আমাগোরে নিয়া এতো ভাবে না। আল্লাহ স্যারদের হায়াত দিক।’
ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও সোনামুখী ইউনিয়ন আ.লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম বাবু জানান, ‘মাননীয় প্রধানমিন্ত্রর এই প্রকল্পটি অনেক ভালো চলছে। এখানকার বাসিন্দাদের সার্বক্ষনিক খোঁজ রাখেন ইউএনও স্যার।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, ‘“সময় সুযোগ গেলেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রির অগ্রাধিকার ভিত্তিক এই প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের খবর নেই। পিআইও ও নতুন যোগদানকারি এসিল্যান্ড সাহেবকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তারাও আমার সাথে এসেছেন। ”
কৃষ্ণগোবিন্দপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প (গুচ্ছগ্রামে) বসবাসকারী প্রতিটি পরিবারকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শুকনো খাবার প্রদান করা হয়।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com