শিরোনামঃ
আব্দুল জলিল ১৩-০৮-২০২০ ০৫:৪৩ অপরাহ্ন |
স্টাফ রিপোর্টারঃ দেড় বছর যাবৎ পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে নিজ স্বামীকে তালাক দিয়ে অবেশেষে ভাতিজা বিয়ে করলেন চাচী ছন্দা। এর আগে ভাতিজা কলেজ ছাত্র রনি তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দিনের পর দিন শরীরিক সম্পর্ক করে গেছে। পরে বিয়ে করতে না চাইলে গত বুধবার ওই ভাতিজার বাড়ি উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের পূর্ব সোনামুখী গ্রামের বাড়িতে গিয়ে উঠে পড়ে।
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে মহিদুল ইসলামের পুত্র কলেজ পড়ুয়া রনির চাচা বাইরে কাঠ মিস্ত্রীর কাজ করার সুবাদে একদিন জোর করে ঢুকে পড়ে সুন্দরী চাচীর ঘরে। সেদিন থেকেই নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক চলতে থোকে দুজনের মধ্যে। এক পর্যায়ে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখায় রনি। কিন্তু বিয়ে করে না করে তাল বাহানা শুরু করলে গতকাল রনির বাড়ি এসে ওঠে ওই চাচী।
এ বিষয়ে চাচী ছন্দা জানান, "আমি ২০১৫ সালে বিয়ে করি সোনামুখি পূর্বপাড়া এরফান শেখের পুত্র মুকুল হোসেনকে। আমার ৩ বছরের একটি ছেলে সন্তানও আছে। রনি আমাকে দেড় বছর ধরে দুয়েকদিন পরপর জোর করে দৈহিক নির্যাতন চালাতো। বিষয়টি জানাজানির পরে আমি তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে বলতো আগের স্বামীকে ডিভোর্স না করলে বিয়ে করবো না। তাই গত কাল (১১ আগস্ট) কোর্টে ডিভোর্স করেই আজ আমি তার বাড়িতে উঠেছি বিয়ের দাবিতে।"
আজ সকালে ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায়, ১ লক্ষ টাকা দেন মোহরে সোনামুখী ইউনিয়নের কাজী বেল্লাল গত রাত তিনটায় তারা একে অপরকে বিয়ে দিয়েছেন। বিয়ের রেজিস্ট্রির ব্যাপারে কাজী বেল্লালের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি সাংবাদিককে এ বিষয়ে তথ্য দিতে অস্বীকার করেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছে ওই মেয়ে যে আগের স্বামীকে তালাক দিয়েছে তার কাগজ সে দেখাতে পারেনি।এ নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com