শিরোনামঃ
নিউজরুম ৩০-০৭-২০২০ ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন |
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলার ৫ শতাধিক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এতে মৎস্যচাষিদের ২ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, শাহজাদপুর, কাজীপুর, উল্লাপাড়া, বেলকুচি, চৌহালী, রায়গঞ্জ, কামারখন্দ ও সদর উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চলনবিলসহ নিম্নাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করা পুকুর তালিয়ে যায়।
একাধিক মৎস্যচাষি জানান, যমুনার পানি বৃদ্ধি পেলে আগামী ২-১ দিনের মধ্যে আরও দুই শতাধিক পুকুর তলিয়ে যেতে পারে। মাছ রক্ষা করতে অনেকে পুকুরের পাশ দিয়ে নেট বা জাল দিয়ে বেড়া দিচ্ছেন।
উপজেলার হাট-বাজারে জালের দাম বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এতে মৎস্যচাষিরা বিপাকে পড়েছেন।
তাড়াশ উপজেলার পাঠানপাড়া গ্রামের মৎস্যচাষি আব্দুল মান্নান ও জুলমাত হোসেন জানান, তারা দুজনে মিলে ২ বছরের জন্য ৫টি পুকুর সাড়ে ৩ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন। সেই পুকুরে রুই, কাতলাসহ দেশীয় মাছ চাষ করেন। গত ১৫ দিন ধরে করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ৫টি পুকুর প্লাবিত হয়। দুটি পুকুর থেকে পাঁচ মণ মাছ ধরতে পেরেছেন। বাকি মাছ ভেসে গেছে। বন্যায় তার ১০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লাপাড়ার মহনপুর গ্রামের মৎস্যচাষি করিম হোসেন জানান, বিলাঞ্চলে পানি বৃদ্ধির ফলে মাছ চাষ করা পুকুর ভেসে গেছে। এতে মৎস্যচাষিরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সন্মুখীন হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহেদ আলী বলেন, জেলায় ৪৮৯টি পুকুর ও ২০টি দীঘি প্লাবিত হয়েছে। যার আয়তন প্রায় ১৫৮ হেক্টর। এতে ১২০ মেট্রিক টন মাছ ভেসে গিয়ে মৎস্যচাষির
২ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।
পানি বৃদ্ধি পেলে আরও পুকুর প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান তিনি।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com