তাড়াশে অনুমতি ছাড়া পশুর হাট! বিক্রেতাকে মারধরের অভিযোগ
১২ মে, ২০২৬ ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন

  

   শিরোনামঃ

তাড়াশে অনুমতি ছাড়া পশুর হাট! বিক্রেতাকে মারধরের অভিযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ
২৮-০৭-২০২০ ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
তাড়াশে অনুমতি ছাড়া পশুর হাট! বিক্রেতাকে মারধরের অভিযোগ

আশরাফুল ইসলাম রনি:  
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিনসাড়া বাজারে সরকারী অনুমতি ছাড়া কোরবানী পশুর হাট লাগিয়েছেন কতিপয় প্রভাবশালীরা। এতে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত, আরেকদিকে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনা ভাইরাস সংক্রমের ঝুকিতে রয়েছে সাধারণ জনগণ। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে অতিরিক্ত টোল আদায়ের। আর অতিরিক্ত টোল না দেয়ায় লুৎফর রহমান নামের এক আগত গরু বিক্রেতাকে মারধর করা হয়েছে।জানা যায়, গত (২৬ জুলাই) রোববার উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বিনসাড়া বাজারে হাট বসিয়ে আব্দুল মান্নানের সিন্ডিকেট চক্র সরকারি অনুমতি ছাড়া প্রতিটি গরু থেকে ৭০০ টাকা এবং প্রতিটি ছাগল থেকে ৩০০ টাকা করে টোল আদায় করেছে। এতে করে ওই সিন্ডিকেট চক্রটি হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা। প্রকৃতভাবে বাজারটি তাড়াশ সদরের অমুল্য কুমার সরকার নামের ব্যাক্তি সরকারীভাবে ইজারা নেন। তাতে শুধু বাজারের সবজি,ধান চাল,নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকান থেকে টোল আদায় করার নিয়ম ছিল। কিন্ত অমুল্য সরকারের নামে হাটের ইজারাদার রশিদ  পরিবর্তন করে একই নামে পশুর হাট ইজারাদার রশিদ তৈরী করে  প্রতিটি ক্রেতার গরুর জন্য ৫০০ টাকা  বিক্রেতার জন্য ২০০টাকা ও প্রতিটি ছাগল ক্রেতার নিকট  থেকে ২৫০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ৫০ টাকা করে টোল আদায় করছে। আর প্রতিটি রশিদে টাকার পরিমাণ উল্লেখ বাধ্যতামূলক হলেও তা না করে টাকার অংকের ঘর ফাঁকা রাখা হচ্ছে। সাব ইজারাদার আব্দুল মান্নান ও তার লোকজনদের জোরপূর্বক এ টোল আদায় করতে দেখা গেছে।
হাটে গরু বিক্রেতা একই ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারী গ্রামের লুৎফর রহমান বলেন, গরু নিয়ে হাটে আসলে গরু বাধা নিয়ে তর্ক বিতর্ক হলে এক পর্যায় বিনসাড়া গ্রামের প্রভাবশালী শাহ আলমের ছেলে মানিক ও ভুট্টুর ছেলে তুষার তাকে মেরে রক্তাক্ত করে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তাড়াশ পৌর গ্রামের আবুল কালাম বলেন, আমি ১৫ হাজার টাকার একটি ছাগল কিনেছি। কোরবানীর জিনিস স্ব-ইচ্ছায় খাজনা দিতে গেলে  ইজারাদারের লোকজন জোর করে আমার কাছ থেকে ২৫০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ৫০টাকা নিয়ে একটি ফাঁকা রশিদ ধরিয়ে দিয়েছে। 
সাব-ইজরাদার আব্দুল মান্নান বলেন,আমি উপর মহলের কাছে অনুমতি নিয়েই পশুর হাট চালাচ্ছি। তা ছাড়াও  এই হাট প্রতি বছর কোরবানীর আগে বসানো হয়। সরকারী অনুমতি লাগে না।
 
এ বিষয়ে ইজারাদার শ্রী অমুল্য কুমার সরকার বলেন, আমি সাব ইজারা দিয়েছি হাট বাজারের জন্য। পশুর হাট লাগানো হয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।  

এ ব্যাপারে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফ্ফাত জাহান বলেন, বিনসাড়া পশুর হাট লাগানো হয়েছে আমি শুনেছি তবে এ বিষয়ে কেউ কোন অনুমতি নেয় নি। তাড়াশ উপজেলার শুধু ২টি হাট পশুর হাট হিসেবে অনুমতি দেওয়া আছে। এ হাট গুলো অতিরিক্ত খাজনা নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ২৮-০৭-২০২০ ০৭:৫৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 431 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com