শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ২১-০৭-২০২০ ০৪:৪১ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে শহীদ এম. মুনসুর আলী ডিগ্রী কলেজের নির্মাণাধীন গেট ধসে ৪ জন নিহতের ঘটনায় অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান ওরফে বাচ্চু কে দোষী করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কমিটি।
সুত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ কলেজের নির্মাণাধীন গেট ধসে ৪ ব্যক্তি নিহত হন এবং আহত হোন আরোও ৪জন। ওই সময় ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির গঠন করে দেন জেলা প্রশাসন। কমিটির সদস্যরা হলেন, সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (রাজস্ব) চৌ: মো. গোলাম রাব্বী, তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফফাত জাহান ও তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. বাবলু মিয়া। তদন্ত কর্মকর্তাগণ তদন্ত প্রতিবেদনে এলাকার স্থানীয় লোকজন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, কলেজ ব্যবস্থপনা কমিটির সদস্যসহ কলেজ শিক্ষকদের মতামতের গ্রহন শেষে দীর্ঘ সাড়ে তিনমাস পর গত ২৫জুন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ বরাবর।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে, সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান গুল্টা মিশনের ফাদারসহ বিভিন্ন উৎস থেকে টাকা সংগ্রহ করে কোন কমিটি গঠন এবং গর্ভনিং বডির কোন সদস্যকে সংম্পৃক্ত না করে একক সিদ্ধান্তে অপরিকল্পিতভাবে গেটটি নির্মান করেন। গেটটি নির্মানের ক্ষেত্রে কোন প্রকৌশলীর দ্বারা ডিজাইন প্রনয়ন না করে এবং মতামত না নিয়ে স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গের মতামত ও পরামর্শ উপক্ষো করে সম্পুর্ন কাজটি করেছিলেন। যার কারনে গেটটি ধ্বসে ৪জন নিহত হয়। কাজেই হতাহতের দায় এককভাবে অধ্যক্ষে আসাদুজ্জামানের উপর বর্তায়।
প্রসঙ্গত, ঘটনার দিনই মৃত তোজাম্মেল হকের জামাতা আব্দুল সাত্তার বাদী হয়ে অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামানকে আসামী করে মামলা করেন। যাহার নং-১০, তারিখ ১৭ মার্চ ২০২০। পরবর্তীতে ২৫ মার্চ তারিখে নিহত রাশেদুলের স্ত্রী মোছাঃ মিম খাতুন (২০) বাদী হয়ে অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামানসহ আরো ৪ জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ তাড়াশ থানা আমলী আদালত, সিরাজগঞ্জে আরেকটি মামলা দায়ের করেছিলেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফরিদ হোসেন জানান, মামলাটি তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হয়েছে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com