শিরোনামঃ
আব্দুল জলিল ১৭-০৭-২০২০ ০৪:৫৬ অপরাহ্ন |
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি কিছুটা কমে বিপদ সীমার ১১৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কিন্তু দূর্বল হয়ে পড়ছে কাজিপুরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ(ওয়াপদা বাঁধ)এরই মধ্যে কাজিপুরের বিভিন্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ চুয়ে পানি ভিতরে প্রবেশ করছে।
গত শক্রবার (১৭ জুলাই) শুভগাছা ইউনিয়নের ঘাটি শুভগাছা এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও বস্তায় বালি ভরে ভাঙ্গণ ঠেকাতে ড্যাম্পিং করতে দেখা গেছে।স্থানীয় লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে একাজে অংশ নিয়েছে।
উপজেলার সীমান্তবাজার সংলগ্ন রতনকান্দি হাটের উত্তরাংশে ভাঙ্গণ ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ফেলছে। রতনকান্দি হাটের ইজারাদার মিন্টু মিয়া জানান,‘ দুটি স্থান বেশী ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় স্থানীয় লোকজন নিজেদের সম্পদ রক্ষার্থে রাতদিন পালাক্রমে কাজ করে যাচ্ছে।’ পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জাকির ও হায়দার আলী জানান, ‘ বন্যানিয়ন্ত্রণ বাধের ঝুকিঁপূর্ণ স্থান সমূহ আমাদের ২৪ ঘন্টা নজরদারি করছি।’
এদিকে গত কয়েকদিনের পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর, চরগিরিশ. তেকানি ও শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। বন্যার পানি ওঠায় বন্ধ হয়ে গেছে নিশ্চিন্তপুর, মনসুর নগর ও নাটুয়ারপাড়া ১০ শয্যার মা ও শিশু কল্যান হাসপাতাল। বন্ধ হয়ে গেছে চরাঞ্চলের ২৪ টি কমিউনিটি ক্লিনিক। ফলে স্বাস্থ্য সেবা একেবারেই ভেঙ্গে পড়েছে। চরাঞ্চলের সবকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করেছে। ডুবে গেছে চলাচলের সমস্ত রাস্তাঘাট। নলকুপ ডুবে যাওয়ায় পানিবন্দী মানুষের বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সেইসাথে গো খাদ্যের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। পানি বৃদ্ধির ফলে চরাঞ্চলের কয়েকটি নৌঘাটের স্থান পরিবর্তন করেছে চলাচলকারি নৌযান মালিকেরা।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com