শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ০৩-০৭-২০২০ ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন |
ঘাতক সুমনকে ইন্টানেট টেকনিক্যালের মাধ্যমে আটকের পর তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ৪দিন পর মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কামারখন্দ সার্কেল) শাহীনুর কবিরের নেতৃত্বে বেলকুচি থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) নুরে আলম, উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসানসহ সংগ্রীহ ফোর্স নিয়ে চর রান্ধুনী বাড়ীর একটি ধৈঞ্চাক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে।
শিশু ইয়ামিন উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চর রান্ধুনীবাড়ী গ্রামের মো. লালচাঁদের ছেলে। ঘাতক সুমন একই গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কামারখন্দ সার্কেল) শাহীনুর কবির এই প্রতিবেদককে জানান, গত ২৭ তারিখ শিশু ইয়ামিন নিখোঁজের ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি দায়ের করা হয়। জিডির তদন্তের এক পর্যায়ে ইন্টারনেট টেকনোলোজির মাধ্যমে সন্দেহজনকভাবে সুমনকে আটক করা হয়। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে শিশু ইয়ামিনকে হত্যার পর পানির মধ্যে ধৈঞ্চাক্ষেতে ফেলে রাখার কথা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক সন্ধ্যার আগে শিশু ইয়ামিনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
ঘাতকের বরাত দিয়ে তিনি আরো জানান, ঘটনার দিন দুপুর দুই টার দিকে ঘাতক সুমন শিশু ইয়ামিনকে নৌকায় ঘুরতে বের হয়। এসময় একটি ধৈঞ্চাক্ষেতে গিয়ে তাকে কিছু অশ্লীল ভিডিও দেখায়। এরপর তাকে ঐক্ষেতে বলাৎকারের চেষ্টা করে। কিন্তু শিশুটি রাজি না হওয়ায় তাকে গলাটিপে হত্যা করে লাশ ক্ষেতেই পানির মধ্যে রেখে দেয়।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com