শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ২৯-০৬-২০২০ ০৫:১৭ অপরাহ্ন |
সোহাগ হাসান জয়ঃ সিরাজঞ্জ যমুনার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ছে বানভাসি মানুষের দুর্গতি। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রতিদিন প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। সেই সাথে বাড়ছে মানুষের দুর্ভোগ।রবিবার ( ২৯ জুন) সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ২০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলার কাজিপুর উপজেলা পয়েন্টে যমুনা নদীর বৃদ্ধি পায় ২৯ সেন্টিমিটার এবং তা সকালে বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার উপয় দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এদিকে সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় দরিদ্র অসহায় মানুষেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা সহায়সম্বল, গরু-ছাগল, হাস-মুরগী নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ও উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে ঘরের খাট-চৌকি দিয়ে মাচাং বানিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে গাদাগাদি করে মানবেতর জীবন যাপন করছে। জ্বালানি, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছে বানভাসি পানিবন্দি মানুষেরা।
কাজিপুর উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান জানান, রতনকান্দি হাটখোলা থেকে শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার পাকা সড়কটি পানিতে তলিয়ে গেলে আশপাশ এলাকায় পানি ঢুকে ডুবে গেছে দেড় শতাধিক বাড়িঘর, পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত হাজার হাজার মানুষ।
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাহিদ হাসান জানান, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের পূর্বদিক দিয়ে নদীর পানি উঁপচে পড়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি হাটখোলা- কাজিপুর উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদ পযন্ত দেড় কিলোমিটার পাকা সড়কটি ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া শুভগাছা ইউনিয়নের পানিবন্দি মানুষদের জন্য ২৩ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পানিবন্দি মানুষদের তালিকা করে তাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com