শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ২৮-০৬-২০২০ ০৬:২১ অপরাহ্ন |
এদিকে যমুনার পানি অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সিরাজগঞ্জের করতোয়া ও বড়ালসহ অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও বেড়েই চলেছে। যমুনা নদী অধ্যুষিত জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলার প্রায় ৩০ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি বাড়ার সাথে সাথে এসব উপজেলার চরাঞ্চলের নি¤œঞ্চল তলিয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হয়ে গেছে বিভিন্ন ফসল। জেলার ৫টি উপজেলার প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির আখ, পাট, তিল, বাদাম, সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এছাড়া চরাঞ্চলসহ নদী তীরবর্তী এলাকায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন।
অপরদিকে, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কাদাই সুইজ গেট ও খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের গুনেগাঁতিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পুরাতন বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে যমুনা নদীর পানি প্রবেশ করে গুনেগাঁতি গ্রাম ও পৌরসভার নিম্নাঞ্চল রাণী গ্রামের বাড়ি-ঘরে পানি উঠায় মানুষজন দুর্ভোগে পড়েছে। পৌরসভার রাণীগ্রামে যমুনা নদীর পানি প্রবেশ করায় এই এলাকার লোকজন নৌকা ও কলাগাছের ভেলায় চলাচল করছে। বানভাসি মানুষেরা পরিবার পরিজন, গৃহস্থালি জিনিষপত্র ও গবাদি পশু নিয়ে সরকারী স্কুলে আশ্রয় নিচ্ছে এবং অনেকেই অন্যত্র নিরাপদ স্থানে চলে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. হাবিবুল ইসলাম জানান, টানা বৃষ্টিতে যমুনার পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার পাঁচটি উপজেলার প্রায় ৩০টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলগুলোর এক হাজার ৫৯ হেক্টর ফসলি জমি পানিতে নি¤œজীত হয়েছে। এতে বেশিরভাগ ফসলই নষ্ট হয়ে গেছে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com