শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সলংগা ১৫-০৬-২০২০ ০৭:৪৮ অপরাহ্ন |
সলঙ্গা প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চকনুর গ্রামের উম্মে হাবিবার বয়স মাত্র চার বছর। এই বয়সেই বাবা-মাকে হারালো শিশুটি। জানা যায়, মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মার মৃত্যু হলেও অলৌকিক ভাবে বেঁচে যায় কোলের শিশু উম্মে হাবিবা। সোমবার (১৫জুন) দুপুরে নাটোর বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। হাবিবার বাবা গুনাইহাটি মসজিদের ইমাম ছিলেন বলে জানা গেছে।
বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আব্দুস সালাম জানান, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চকনুর গ্রামের আব্দুল ওয়াহাব (৩০) ও তার স্ত্রী স্বর্ণা বেগম ( ২২)। চাকরীর কর্মস্থল বনপাড়া পৌরসভার গুনাইহাটি এলাকায় ফিরছিলেন। শিশুটিকে কোলে নিয়ে বনপাড়া বাইপাস বাস থেকে নেমে বাসায় ফেরার জন্য ভ্যানে ওঠেন তারা।
পথে বনপাড়া বাজার সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ধানের চিটাভর্তি একটি ট্রাক তাদের ভ্যানের ওপর উল্টে পড়ে। তখন তারা তিনজনেই ট্রাকের বস্তার নিচে চাপা পড়ে। এতে শিশু উম্মে হাবিবার বাবা-মা ঘটনাস্থলে মারা গেলেও অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় শিশুটি । কান্নার শব্দ শুনে পথচারীরা উম্মে হাবিবাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
অবুঝ শিশু হাবিবা কি জানে নিয়তির এ খেলা? তবুও বাবা-মায়ের জন্য অনবরত কাঁদছে সে। কোন ভাবেই তার কান্না যেন থামানো যাচ্ছে না। নিহত মাওলানা ওহাবের বড় ভাই শাহাদৎ হোসেন বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন বাড়ি যেতে পারছিল না তার ভাই। তাই শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি চকনুর যায়। বাড়িতে ২/১ দিন অবস্থানের পর সোমবার সকাল ১০টার দিকে গুনাইহাটি রওনা হয়ে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার সহ ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়। নিহতের অভিভাবকদের আবেদনের কারণে ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com