শিরোনামঃ
সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চৌহালি ১১-০৬-২০২০ ০৫:৫১ অপরাহ্ন |
চৌহালী প্রতিনিধি : করোনায় আক্রান্ত হয়ে তামান্না খাতুন (২০) নামে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরের খাজা ইউনুস আলী নার্সিং কলেজের ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। গত ২৪ ঘন্টায় সিরাজগঞ্জে চিকিৎসক সহ ১৮ জন নতুন করে আক্রান্ত হন। জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা এ নিয়ে ১৬৬ হলো। নিহতের মামা দিনাজপুর জেলার বিরামপুরের বাসিন্দা হাসিবুল হাসান জানান, আম গাছ থেকে পড়ে আহত হন তামান্না। প্রথমে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর গত ২৮ মে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে যখন ভর্তি হয়, তখন তার করোনার কোন উপসর্গই ছিল না।
হাসপাতালে ভর্তির পর তার শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরে তার নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠায়। সোমবার তার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। পাবনার আটঘড়িয়া উপজেলার সঞ্জয়পুর কামারপাড়ার বাবুল হোসেনের মেয়ে তামান্না মঙ্গলবার ভোর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। লাশ নেবার সময় কিছুটা ঝামেলা হয়। বিল বাকী থাকায় কর্তৃপক্ষ সহজে ছাড়পত্র দেয়নি। পরে কলেজ শিক্ষকগন নিজেরাই তামান্নার বকেয়া পরিশোধ করেন। খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের দু’চিকিৎসকসহ জেলায় ১৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। জেলায় এ পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হলো।
নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকে নিজ ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসা গ্রহন করছেন আক্রান্তরা। সিভিল সার্জন ডা: জাহিদুল ইসলাম জানান, তামান্নার মৃত্যুর পর চিকিৎসার বকেয়া বিল নিয়ে ঝামেলার কারনে লাশ হস্তান্তরে বিলম্বিত হয়। স্বজনরা বিষয়টি জানালে আমার রেফারেন্স দিয়ে অধ্যক্ষের সাথে আলোচনার পরামর্শ দেয়া হয়। খাজা ইউনুস আলী নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল রওশন আরা জানান, ছুটিতে আছি। বাড়িতে গাছ থেকে পড়ে অসুস্থ হয়। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসারত অবস্থায় সে মারা যায় বলে শুনেছি।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com