শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ১০-০৬-২০২০ ০১:৩৪ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের সান্দুরিয়া, ধাপতেতুলিয়া গ্রামের একটি পথ থানা সদরসহ দেশের অনান্য স্থানের যাওয়ার পথ। এ পথ দিয়ে পাশের প্রতিরামপুর ও কুন্দইল গ্রামেরও হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। সেই সড়টি হলো কুন্দইল থেকে ধাপতেতুলিয়া হয়ে সান্দুরিয়া গ্রামের দিয়ে তাড়াশ-বারুহাস সংযোগ সড়কে হেদারখাল নামকস্থানে পৌছেছে।
জানা যায়, কুন্দইল থেকে হেদারখাল সড়কের পরিমান মাত্র ৫ কিলোমিটার। চার গ্রামের দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার করে। উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগে তাদের প্রধান বাধা ৫ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক। ওই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছে ৪ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
এলাকাবাসী জানান, স্বাধীনতার পর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে শেরপুর গ্রামের শুরু থেকে হেদারখাল পযর্ন্ত একটি কাঁচা সড়ক নির্মাণ করা হয়। এ সড়কে একটি ছোট-বড় ৫টি ব্রীজ আছে। সড়কটি দিয়ে কুন্দইল, ধাপতেতুলিয়া, প্রতিরামপুর ও সান্দুরিয়া গ্রামসহ আশপাশের মানুষ চলাচল করে। কিন্তু এটি কাঁচা হওয়ায় এলাকার মানুষ ভোগান্তি পোহায়। আর এ গ্রামগুলোর মানুষদের কষ্ট যেন সারাবছরই। কারন বর্ষা মৌসুমে নৌকায় ও শুস্ক মৌসুমে খানাখন্দ ও বৃষ্টি হলে কাদাঁ নর্দমায় চলতে হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে পানি জমে আছে। পুরো সড়কটি পিচ্ছিল হয়ে গেছে। এ সড়কের ব্রীজগুলোর দুই পাশে ভেঙে যাওয়ায় ও কাদাঁ নর্দমায় থাকায় ইরি, বোরো ধান সহ নানা ফসলে ভরপুর এই অঞ্চলের লোকজন ফসল ঠিকমতো ঘরে তুলতে পারছেনা এবং ন্যায্যমুল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
সান্দুরিয়া গ্রামে রবিউল করিম রনি জানান, ধান বিক্রির ভরা মৌসুমে এ কাঁচা সড়কটি সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁদা পানিতে একাকার হয়ে যাওয়ায় ট্রলি-ভ্যান চলাচল তো দুরের কথা মানুষ হেটে যেতেই পারে না।
ধাপতেতুলিয়া গ্রামের কামাল হোসেন বলেন, ইরি-বোরো ধান সহ নানা ফসলে ভরপুর আমাদের অঞ্চল। কিন্তু রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কারনে কৃষক ফসল ঠিকমত ঘরে তুলতে পারছেনা ও ন্যায্যমুল্য থেকেও বঞ্চিত।
এ বিষয়ে উপজেলার সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ হেল বাকি জানান, এ সড়কটি দিয়ে হাজারো মানুষের যাতায়াত কিন্ত সড়কটি সাবমারসিবল না করলে টেকশই হবে না। এ আমাদের স্থানীয় সংসদ সদস্য বার বার সড়কটি করার জন্য চেষ্টা করছেন।
এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ বলেন, চলনবিল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সড়কটি প্রজেক্ট জমা দেয়া হয়েছে। দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এতে ওই এলাকার লোকজনের ভোগান্তি আর থাকবে না।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com