শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ০৭-০৬-২০২০ ১২:৪৫ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি: এ বছর চলনবিলে বর্ষার পানি আসতে শুরু করেছে। আর টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে খাল ভড়ে এখন মাঠঘাট প্লাবিত হচ্ছে। চলনবিল এলাকার মানুষ বর্ষায় এপার থেকে ওপারের জন্য আগাম প্রস্তত হিসেবে তৈরি করছেন চলাচললে উপযোগী ডিঙি নৌকা। যা আবার আঞ্চলিক ভাষায় ভুড্ডি নৌকা বা ভোট নৌকা বলে থাকেন।
সরজমিনে দেখা যায়, গ্রামের মেঠো পথগুলোও পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। বিলপাড়ের মানুষের চলাচলের জন্য ডিঙি নৌকার কদর এখন সবচেয়ে বেশী। তাই বসে নেই ডিঙি নৌকা তৈরীর কাজে নিয়োজিত ব্যবসায়ী ও মিস্ত্রিরা। এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। আর এই ডিঙি নৌকাকে ঘিরে চলনবিলের বিভিন্ন হাটে গড়ে উঠেছে ডিঙি নৌকা বিক্রির হাট। তাড়াশ, চাঁচকৈর হাট, মির্জাপুর হাট, বিনসাড়া হাট,নওগাঁ হাট ও ছাইকোলা হাট ও চাটমোহরসহ কয়েকটি হাটে নৌকার তৈরির ধুম পড়ে গিয়েছে।নৌকার ক্রেতারা জানান, নৌকার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিটি ডিঙি নৌকা ৪হাজার থেকে ৭৫০০টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।
তাড়াশ উপজেলার নওগা হাটে দেখা যায়, হাটের পশ্চিম পাশে ও জিন্দানী কলেজ এলাকাজুড়ে বসেছে নৌকা বিক্রির হাট। পাশা-পাশি প্রায় ২০-২৫ টি কারখানায় চলছে নৌকা তৈরীর কাজ। অনান্য উপজেলার মানুষও এসেছে ক্রেতা এসেছেন নৌকা কিনতে।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার করতকান্দি গ্রামের লিপন সরকার জানান, নিচু এলাকার সড়কগুলো পানিতে ডুবে যাবে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে। এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে বা অন্য পাড়ায় যেতে এসব ডিঙি নৌকার প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে জেলেদের মাছ ধরার জন্য বেশী দরকার হয় এই নৌকা।
তাড়াশ পৌর এলাকার ব্যবসায়ী আলেপ আলী জানান- বর্ষাকালে তাদের হাতে তেমন কাজ থাকেনা। তাই ডিঙি নৌকা কিনে মাছ ধরে বাড়তি আয় করতেই এসব নৌকা কেনা হয়। নৌকার তৈরি কাঠ মিস্ত্রী শাহ আলম জানান- কাঠমিস্ত্রিদের মজুরী ও কাঠের দাম বেড়ে যাওয়ায় নৌকার দাম বেড়েছে। প্রতিটি ডিঙি নৌকার জন্য জন প্রতি মিস্ত্রী ৫০০টাকা মজুরী পান। দিনে ২টি করে ডিঙি নৌকা তৈরী করতে পারেন তারা।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com