শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ৩১-০৫-২০২০ ০৯:২৭ অপরাহ্ন |
জহুরুল ইসলাম: সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে শিশু ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত সেই শিক্ষক নুরুজ্জামানকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত। রোববার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয় বলে থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মাসুদ পারভেজ এই প্রতিবদককে জানিয়েছেন।
মামলা সুত্রে জানা যায়, ভয়ভীতি দেখিয়ে জোড়পূর্বক চতুর্থ শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ধর্ষন করে চৌহালী উপজেলাধীন এনায়েতপুরের মাঝগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুজ্জামান (৪৫)। সে এনায়েতপুর গ্রামের মৃত হাজী মতুর্জ আলীর ছেলে ও চার সন্তানের জনক। গত বছরের ৩ নভেম্বর ক্লাস ছুটির পর দেখা করার কথা বলে স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা চলে যাওয়ার পর একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রীকে জোড়পূর্বক ধর্ষন করে।
এসময় ছাত্রীটি কান্নাকাটি করলে ওই শিক্ষক তাকে ১০০ টাকা দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেন। ঘটনাটি কাউকে বললে তাকেসহ পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। অপরদিকে বুদ্ধি সম্পন্ন হওয়ায় ভয়ে ওই ছাত্রী ঘটনাটি কাউকে জানায়নি।
এরপরও শিক্ষক একাধিকবার তাকে ধর্ষন করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তার বাবা-মা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। গত ২৭ মে স্থানীয় একটি হাসপাতালে মেয়েটির আল্টাস্নোগ্রাফি করলে ২০ সপ্তাহ ৪ দিনের গর্ভবতী বলে উল্লেখ্য করা হয়। এ ঘটনা জানাজানি হলে স্কুল এবং এলাকায় ব্যাপক তেলপাড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শনিবার দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুজ্জামানকে ওই স্কুল থেকে আটক করা হয়। ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে এনায়েতপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
নির্যাতিতা স্কুল ছাত্রীর বাবা জানান, কামলা বেইচ্যা খাই, জনও নাই, ধনও নাই। আশা করি দোষীর উপযুক্ত শাস্তি হবে।
এবিষয়ে চৌহালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর ফিরোজ জানান, সরকারী বিধি মেতাবেক শিক্ষক নুরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ পত্র প্রেরণ করা হবে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com