শিরোনামঃ
স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ৩১-০৫-২০২০ ০৩:১৩ অপরাহ্ন |
স্টাফ রিপোর্টার : সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় চাচার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অফিস ভাংচুরের মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে ভাতিজার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে স্থানীয় অনলাইন পত্রিকায় কলেজ শিক্ষক চাচাকে বিএনপি নেতা উল্লেখ করে সংবাদও প্রকাশ করানো হয়েছে। ভুক্তভোগী চাচা সলঙ্গা থানার আমডাঙ্গা বুড়িদহ গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে ও গণহত্যা অনুসন্ধান কমিটি সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সক্রিয় সদস্য আব্দুল হান্নান সরদার অভিযোগ করে বলেন, তার বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা মৃত শামছুল হকের ছেলে নুর-এ-ইলিয়াছ রিপন ও তার বোন এলিজা পারভীন এবং মা শাহীনূর হক ২০১২ সালের ২৩ মে ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ১৬ শতক জমি আমার কাছে বিক্রি করে চলে যায়। চলতি বছরের মার্চ মাসের দিকে ভাতিজা নুর-এ-ইলয়াছ রিপন ঢাকা থেকে এসে আমার কাছে ঘর তুলে থাকার জন্য জায়গা চায়।
মানবিক বিবেচনায় আমি তাকে ঘর তোলার জায়গা দিলে সে ঘর তোলে। কিন্তু কিছুদিন পর থেকে সে ঘরটি বড় ও পাকা করার চেষ্টা করতে থাকে। বাঁধা দিতে গেলে আমার সাথে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে স্থানীয় মাতব্বরদের নিয়ে শালিসী বৈঠক হয়। মাতব্বরগণ রিপনকে যেটুকো জায়গা আছে সেটুকোতেই থাকার জন্য সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু মাতব্বরদের সিদ্ধান্ত না মেনে রিপন আরও বেশি জায়গা দখলের চেষ্টা করে। প্রতিবাদ করায় আমিসহ মোট ৫ জনকে আসামী করে থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করে। হান্নান সরদার আরও বলেন, তার ভাতিজা নুর-এ-ইলিয়াছ রিপন পরিকল্পিতভাবে আমডাঙ্গা বাজারে একটি অফিস করে। সেই অফিসে বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছবি টাঙিয়ে দেয়।
পরবর্তীতে নিজেই সেই ছবি ও অফিস ঘর ভাংচুর করে। মামলায় আমাকে বিএনপি নেতা উল্লেখ করে ভাংচুরের ঘটনায় জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়। তিনি বলেন, আমি এক সময়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। কখনো বিএনপি করি নাই। অথচ একটি অনলাইন পত্রিকায় আমাকে হাটিকুমরুল ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি উল্লেখ করে রিপোর্ট করানো হয়েছে। এ বিষয়ে হাটিকুমরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম আম্বিয়া বলেন, হান্নান সরদার একজন কলেজ শিক্ষক। তিনি এক সময় জাসদ ছাত্রলীগের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি কখনো বিএনপি করেন নাই। পদে থাকার তো কোন প্রশ্নই ওঠেনি। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে নূর-এ-ইলিয়াছ রিপন বলেন, আমার চাচা আমার পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করে রয়েছেন। সেই জমি চাইতে গেলে তিনি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ চাঁদা দাবী করেন। এ কারণে বাধ্য হয়ে আমি মামলা দায়ের করেছি। তবে তিনি বিএনপি নেতা কিনা সেটা আমার জানা নেই। তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের অফিস কে বা কারা ভাংচুর করেছে তা আমার জানা নেই। ঘটনার পরদিন আমি বিষয়টি জানতে পারি। ধারণা করা হচ্ছে যারা আমার কাছে চাঁদা দাবী করতে এসেছিল তারাই ওই অফিস ভাংচুর করেছে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com