করোনা কালে ঈদ এক অন্যরকম আনন্দ চৌহালী প্রতিনিধীঃ ঈদ মানে খুশি, আনন্দ। উৎফুল্লতায় ভরপুর। এক সাথে চলা ধনী গরীব বৈষম্য ভুলে। অনাবিল ছোঁয়া মুসলিম ঘরে ঘরে। মায়াময় ছায়াময় অনুভবে মমতার অনুভূতি বিকাশিত। ঈদের খুশিতে দিন কাটানো আমার ছন্দালাপ, বাড়ির সকল জনে বলে খুশির বন্যা বয়ে চলে হরেক খাবার খেয়ে দেয়ে ঈদের দিনে আমারতো, নতুন পোশাক গায়ে পোরে/ বন্ধু সবাই হাতটি ধরে শহর গাঁয়ে ঘুরে বেড়ায় পালিয়ে যায় আঁধারতো। শহর কিংবা বিদেশ হতে দেশে ফিরে পরিবারে সকল সদস্যদের নিয়ে একত্রে ঈদ করা মানে এক অন্য রকম আনন্দ। যেখানে বাবা মায়ের মুখ, সুখ ছোঁয়া মায়া। “বাবা মায়ের সেবা করা আমার প্রথম কাজ তাইতো ছুটি পেয়ে আমি যাচ্ছি বাড়ি আজ বাবার স্নেহ মায়ের আদর সত্য ভালো চিনেছি সেই মা বাবার জন্য আমি নতুন পোশাক কিনেছি নাড়ির টানে ফিরে নীড়ে বাবা মায়ের মুখ দেখে আমি কাটাতে চাই ঈদ আনন্দের সুখ ৷
পথশিশু বা টোকাইয়ের ঈদে ধনীর দ্বারে দ্বারে চাওয়া, দাওনা একটি নতুন পোশাক কিনে। সবার মতো আমরাও সবার সাথে হাসি মুখে ঈদ উদযাপন করি। ক্ষুধার জ্বালায় দিনে রাত্রে হয়ে আছি কাবু একটি জামা দাওনা কিনে ওগো ধনী বাবু পথেই আমরা ঘুরিফিরি পথেই করি বাস টোকাই বলে কত জনে করে উপহাস সবার মতো ঈদের দিনে নতুন পোশাক চাইতো বারেবারে ঘুরছি দ্বারে দু'হাত পেতে তাইতো ঈদের খুশি সবার সাথে ভাগাভাগি করতে পাখির মতো বেরিয়েছি এগাঁ সেগাঁ চরতে। নতুন নতুন পোশাকের ঘ্রাণ প্রান জুড়ায়। গায়ে পরে বন্ধু বান্ধব মিলে নামাজ শেষে ঘুরে বেড়ানো মুহূর্ত সত্যিই কত যে ভালোলাগা। হৈ-হুল্লোড় খুশির পশরা চারিদিকে ছড়ানো। তাই বলতে ইচ্ছে করে- ঈদের পোশাক নিত্য নতুন হোক না যত দামি, সারাটিদিন গায়ে পরে ঘুরে বেড়াই আমি নামাজ শেষে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে আমার সঙ্গে, ঈদ আনন্দে মাতামাতি করি সোনার বঙ্গে। হৈ-হুল্লোড় খুশিতে মন তাকধিনাধিন নাচে, ঈদ আনন্দ ঈদ আনন্দ যেন সবার কাছে। ঈদের দিন ব্যতিক্রম আয়োজন আমার প্রিয়জনকে নিয়ে নদীর তীরে বসে বৈকালী হাওয়ায় খাওয়া।
অবলীলায় মুখে ভাসে আমার - ঈদ খুশিতে আনন্দেতে মনটা আমার নাচে, নতুন নতুন পোশাক হবে ইচ্ছে এমন আছে। তাইতো বাবার কানের কাছে তুলি গানের ছন্দ, এবার ঈদে এরূপ চাওয়া নয়তো মোটে মন্দ নতুন পোশাক পরে আমি ঘুরবো সারাদিন, বন্ধু মিলে খাওয়া দাওয়া দিন হবে রঙিন। ঈদের আগের সন্ধায় চাঁদ দেখার মজাটা খুবই নান্দনিক। অনেক অনেক জন একত্রে আকাশের দিকে তাকানো সে এক অন্য রকম আনন্দ। “ঈদ এসেছে তাই ভেসেছে ওই আকাশে চাঁদ, দলে দলে দেখছে সবাই খুশিতে অবাধ। মুসলমানের ঘরে ঘরে সুখের স্বপ্ন নিদ, ধনী-গরীব সবাই জানায় ঈদ মোবারক ঈদ।
ঈদ খুশিতে আমার চোখ নাচে। মন নাচে। আমার প্রতিদিনের ক্ষণ নাচে। আনন্দে উদ্বেলিত হয় আমার লালিত স্বপ্ন। আকাঙ্খার নতুন পোশাকের ঘ্রাণ, প্রাণ জুড়ায় আমার। মজাদার খাবার পাবার প্রত্যাশা, বন্ধু সবে মিলে একত্রে খেয়েদেয়ে বেড়ানোর মুহূর্ত সত্যিই আমার এক অন্যরকম ভাললাগার নিদারুণ আবেগী অনুভূতি। “ঈদের দিনে সবাই মিলে ঘুরবো শুধু ঘুরবো, পথে ঘাটে সবুজ মাঠে এদিক ওদিক চেয়ে চেয়ে পাখির মত নেচে গেয়ে উড়বো শুধু উড়বো। বন্যা, ঝড়-ঝঞ্ঝা, খরার বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে বাঙালি আরও কত ঈদ কাটিয়েছে! কিন্তু এবারের লড়াইটা অন্যরকম। কঠিন ও অভূতপূর্ব। করোনার আঘাতে কোটি মানুষ কর্মহীন। অগণিত মানুষ লড়ছে দুই বেলার আহার জোগাড়ে। ঈদ নিয়ে ভাবার সুযোগ তাদের কোথায়! এসো সবাই ঈদে এক হই করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এবারের ঈদের নামাজ ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে বাড়ির কাছের মসজিদে গিয়ে আদায় করি।ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জামাত করার পরামর্শ দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।