শিরোনামঃ
নিউজরুম ১৯-০৫-২০২০ ০৩:৩৪ অপরাহ্ন |
শাহজাদপুর প্রতিনিধি: করোনা ভাইরাসের এই দূর্যোগকালীন সময়ে সরকারের অতিদুঃস্থদের মাঝে জনপ্রতি নগদ আড়াই হাজার টাকা সহায়তার খসড়া তালিকায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে চরম অনিয়ম লক্ষ করা গেছে। একাধিক ইউনিয়নে ইউপি সদস্য ও তার স্ত্রীর মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক স্থানে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নাম দেয়া হয়েছে তালিকায়। অনেক সম্পদশালীর নামও তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের আত্মীয়-স্বজন কারো নামই তালিকা থেকে তেমন বাদ পড়েনি। জানা যায়, শাহজাদপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে ১৪ হাজার ৪৩৫ জন নগদ আড়াই হাজার টাকা করে সরকারি অর্থ সহায়তা পাবেন। এর প্রেক্ষিতে প্রতিটি ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে খসড়া তালিকা জমা দেন। প্রায় প্রতিটি তালিকায়ই মারাত্মক অসঙ্গতি ধরা পড়ে।
দেখা গেছে, একটি মোবাইল নম্বর একাধিক ব্যক্তির নামের পাশে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি এবং অধিকতর সচ্ছল পরিবার ও তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছেন। এমন অসঙ্গতি ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নড়ে চড়ে বসে উপজেলা প্রশাসন।
গত সোমবার শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আক্তার হোসেন নামের এক ব্যক্তির লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বর আব্দুল মমিন এবং ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল করিম উভয়েই স্ত্রী, ভাতিজা, ভাগিনা, বোন, বোনের স্বামী, ভাবী, চাচীর নাম সংযুক্ত করেছেন। ওই দুই ওয়ার্ডে কমপক্ষে ২০ জন ইউপি সদস্যদের পরিবারের সদস্য বলে চিহ্নিত হয়েছে। একই চিত্র উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের অন্যান্য ওয়ার্ডগুলোতেও।
এ ব্যাপারে হাবিবুল্লাহনগর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাচ্চু সরকার বলেন, ওয়ার্ড মেম্বরগণ যে তালিকা দিয়েছেন তাতে কোন অনিয়ম থাকলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি কোন প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতি বরদাস্ত করবেন না বলেও জানান।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোঃ শামুসজ্জোহা জানান, তালিকায় চেয়ারম্যান মেম্বরগণ কোন অনিয়ম করে থাকলে তা তদন্ত পূর্বক অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্নীতির ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে কাউকেই কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com