বেলকুচিতে ত্রান বন্টনে অনিয়ম, জিআরের অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ
১৪ মে, ২০২৬ ১২:১৯ অপরাহ্ন

  

   শিরোনামঃ

বেলকুচিতে ত্রান বন্টনে অনিয়ম, জিআরের অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি
০৮-০৫-২০২০ ০৫:১০ অপরাহ্ন
বেলকুচিতে ত্রান বন্টনে অনিয়ম, জিআরের অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ
জহুরুল ইসলাম: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ত্রান বন্টন আর বিতরণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসন আর জনপ্রতিনিধিদের মাঝে নেই কোন সমন্বয়। ত্রান কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে খয়রাতি সাহায্য (জি আরের) টাকা নয় ছয়ের অভিযোগ করেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা। জেলা প্রশাসনের দাবী সব নিয়মকানুন মেনে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে, ত্রানের অর্থ অনিয়মের সুযোগ নেই। প্রশাসন ও জন প্রতিনিধিদের আশ্বাসে আর আশ্বাস্ত হতে পারছেনা উপজেলার কর্মহীন ক্ষুধার্থ মানুষ গুলো। তারা চায় খাদ্য সহায়তা। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকার দেশ জুরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিলেও বেলকুচি উপজেলার চিত্র অনেকটাই ভিন্ন দেখা যাচ্ছে। নতুন নিয়ম মোতাবেক উপজেলাতে একটি মানবিক সহায়তা কমিটি গঠন করতে হবে। যে কমিটি সরকারের খয়রাতি সাহায্য (জি আর) এর ত্রান বন্টন করবে। বেলকুচিতেও ২৮ সদস্য বিশিষ্ঠ একটি কমিটি গঠন হলেও ত্রান বন্টন সম্পর্কে জানা নেই সিংহভাগ সদস্যের। কমিটির সভাপতি ইউএনও আর সদস্য সচিব পিআইও মিলেই বন্টন করেন সকল ত্রান। করোনা মোকাবেলায় জেলা ত্রানও দূর্যোগ অধিদপ্তর থেকে এই উপজেলায় ১৬৭ মেট্রিকটন চাল আর নগদ ১০ লাখ ৫৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কমিটির সভাপতি আর সদস্য সচিব ১৪৪ মেট্রিকটন চাল আর নগদ ৪ লাখ ৫৮ হাজার টাকা বিতরন দেখালেও কোন নগদ অর্থ পাননি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। কোন খাবার বা প্যাকেট বিতরন হয়েছে বলে জানা নেই তাদের। অথচ সরকারের বিধান মতে এই অর্থ কমিটির সকলের সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যেমে বিতরন করতে হবে। প্রশাসন আর জনপ্রতিনিধির এই সমন্বয় হীনতার কারনে মাঠ পর্যায়ে সঠিক ভাবে বিতনর হচ্ছেনা ত্রান। যে পাবার সেই বারবার পাচ্ছে, আর যে আনাহারে থাকার সে অনাহারেই থাকছে। ত্রাণ কমিটির সদস্য ও বেলকুচি পৌর মেয়র বেগম আশানূর বিশ্বাস বলেন, সমন্বয় হীনতার কারনেই বিতরনে এমন অনিয়ম হচ্ছে। আর নগদ অর্থ প্রশাসন দূর্নীতি করেছে। ত্রান কমিটির সদস্য ও রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোনিয়া সবুর আকন্দ বলেন, আমরা চাল পেয়েছি কিন্ত নগদ অর্থ সম্পর্কে কিছুই জানিনা। আমার মনে হয় প্রশাসন এই টাকা আত্বসাৎ করেছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, ত্রাণের নগদ অর্থ চেয়ারম্যানদের মাধ্যেমেই খরচ করতে হবে। তবে উপজেলা প্রশাসন খাবার কিনে তাদের মাধ্যেমেই বন্টন করেছে। এখানে আত্বসাৎ করার মতো কিছু হয়নি। তবে তালিকা পেলে চেয়ারম্যানদের মাঝে বিতরন করবো বলে জানান তিনি। সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ফিরোজ মাহমুদ জানান, কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়েই বন্টন করতে হবে। আর নগদ অর্থ দিয়ে খাবারও কিনে দিতে পারবেন। তবে কাজটি করতে হবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ০৮-০৫-২০২০ ০৫:১০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 468 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  

  ঠিকানা :   অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   info@sirajganjkantho.com