শাহজাদপুরে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে অন্ত:স্বত্তা প্রেমিকার অনশন
০৭-০৫-২০২০ ০২:২৯ অপরাহ্ন
|
|
শাহজাদপুরে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে অন্ত:স্বত্তা প্রেমিকার অনশন
স্টাফ রিপোর্টার : শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের ভাটপাড়া নতুন বাজার এলাকার আল্লেক মোল্লার পুত্র নুর ইসলামের বাড়ীতে বিয়ের দাবীতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছে জামিরতা ঘোষপাড়া গ্রামের আমোদ আলী শিকদারের মেয়ে সুমী খাতুন (১৫) ।
জানা যায়, গত ১ বছর ধরে গার্মেন্টস কর্মি সুমী খাতুনের সাথে কলেজ ছাত্র নুর ইসলামের সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এর জের ধরেই নুর ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সুমীর সাথে একাধিকবার শারীরীক সম্পর্ক গড়ে তোলে। শুধু তাই নয় নুর ইসলাম যমুনা তীরের ভাটপাড়া বাড়ীতে মাঝে মধ্যেই সুমীকে নিয়ে অবস্থান করত। বিষয়টি কিছুদিনপূর্বে এলাকবাসী টের পেয়ে দুজনকে হাতে নাতে আটক করে। পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কৌশলে পিছন বাড়ী দিয়ে সুমীকে পালিয়ে যেতে সহায়াতা করে। বিষয়টি সুমীর পরিবার অবগত হলে নুর ইসলামকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে । নুর ইসলাম সুমীর নিকট নগদ অর্থ ও স্বর্ণের গহনা দাবী করে। নুর ইসলামের কথামত সুমী বাবার বাড়ী থেকে লক্ষাধিক নগদ অর্থ গহনা নিয়ে গত ৩ মে নুর ইসলামের বাড়ীতে যায়। সেখানে নুর ইসলাম কিছুক্ষণ অবস্থান করতে থাকে। এক পর্যায়ে কৌশলে বাড়ীর সব দরজায় তালা লাগিয়ে নুর ইসলাম বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে প্রেমিকা সুমী খাতুন জানান, নুর ইসলাম বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নুর ইসলাম বিভিন্ন স্থানে নিয়ে অসংখ্যবার তাকে ধর্ষন করেছে। বর্তমানে সে দুই মাসের অন্ত:স্বত্তা । নুর ইসলাম তাকে বিয়ে না করলে সে আত্মহত্যা করবে বলে সাংবাদিকদের জানান।
এ ব্যাপারে সুমী খাতুনের দাদী জানান, নুর ইসলাম তার নাতনী সুমীকে বিয়ে করার কথা বলে বিভিন্ন জায়গা বেড়াতে নিয়ে শারীরীক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। তার নতনীর গর্ভে শিশু বাচ্চা রয়েছে। নুর ইসলাম নিজে ও তার বাবা -মায়ের অনুপস্থিতি থাকায় প্রেমিকা সুমী বিয়ের দাবী নিয়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছে। বিয়ে না করা পর্যন্ত এ অনশন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে সুমী ।
এ ব্যাপারে টেলিফোনে প্রেমিক নুর ইসলাম জানান, সুমী নামক কোন মেয়েকে তিনি চেনেন না। এটা ষড়যন্ত্র বলেই দাবীকরছে নুর ইসলাম। তবে স্থানীয়রা একের পর এক নারী কেলেংকারী ঘটনায় নুর ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।
০৭-০৫-২০২০ ০২:২৯ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 791 বার দেখা হয়েছে।
পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ