শিরোনামঃ
২৪-০৪-২০২০ ০১:২৩ অপরাহ্ন |
স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহের ভালুকায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত গার্মেন্টস শ্রমিক জুলমত হোসেন (৪৫) এর লাশ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের কাশিনাথপুর গ্রামের বাড়ির কবরস্থানে বিশেষ ব্যবস্থায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। নিহত গার্মেন্টস শ্রমিক জুলমত ওই গ্রামের মৃত আজগার আলী ফকিরের ছেলে।
গতকাল বুধবার রাতে তার লাশ গ্রামের বাড়িতে এনে লাশ দাফনের চেষ্টা করে পরিবারের লোকজন আনা হয়। বিষয়ে টের পেয়ে এলাকাবাসী বাধা দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো: শামসুজ্জোহা ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ দাফন বন্ধ রাখেন। বৃহস্পতিবার সকালে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একটি মেডিকেল টিম লাশের নমুনা সংগ্রহ করে। এরপর একটি স্বেচ্ছাসেবী দল বিশেষ সুরক্ষা নিয়ে গোসল, জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেন।
এ সেচ্ছাসেবী দলে ছিলেন, শাহজাদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রাসেল শেখ, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ, নিয়ন, আশরাফুল ইসলাম বিপুল, রাকিব সুমন, কাইফ আহমেদ সজিব, মিঠুন ও পারভেজ। জানাজায় ইমামতি করেন ছাব্বির হোসেন।
জানা গেছে, নিহত জুলমত ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকার বাদশাহ টেক্সটাইলের গার্মেন্টস শ্রমিক ছিলেন। চাকরির সুবাদে তিনি ওই এলাকায় ১০ বছর ধরে বাস করছেন।
শাহজাদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রাসেল শেখ বলেন, তারা সবাই করোনায় মৃত ব্যক্তি দাফন কমিটির সদস্য ও এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। ফলে সরকারি নিয়ম মেনে তাদের নের্তৃত্বে বিশেষ ব্যবস্থায় এ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো: শামসুজ্জোহা বলেন ,নিহতের লাশ ও ওই লাশের সংস্পর্শে আসা ৮ জনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ওই বাড়িতেই ওই ৮ জনকে একজন গ্রাম পুলিশের পাহারায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ওই বাড়ি ও আশপাশের এলাকা লকডাউন করা হয়েছে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com