শিরোনামঃ
স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ০৪-০৪-২০২০ ০৮:১৩ অপরাহ্ন |
করোনা ভাইরাসের সংক্রামন থেকে বাঁচতে দেশে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। আর এই আলোকে মানুষকে বার বার ঘরে থাকার আহবান জানানো হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন মাঠে সক্রিয় সামজিক দুরত্ব সৃষ্টিতে। মানুষের চলাফেরার উপরও বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ফলে শহর এক প্রকার ফাঁকা। মাঝে মাঝে প্রয়োজনে কিছু মানুষ এবং কিছু মানুষ সামজিক কর্মকান্ডে বের হচ্ছে। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ। পুলিশ,সেনাবাহিনীর টহলও জোর দার। তবে ভিন্ন চিত্র শহরতলীতে এখানে যেন দেশের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কোন চিত্রই নেই। মানুষ তার নিজের গতিতে চলছে,ফিরছে,খেলাধুলা করছে। হাটে বাজারে যাচ্ছে,চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছে। এই ক্ষেত্রে প্রশাসনের ভুমিকাকে করছে প্রশ্নবৃদ্ধ। সিরাজগঞ্জ শহরের এস এস রোড,মুজিব সড়ক আর বাজার ষ্টেশন রোডে এক সাথে ৪/৫টা পুলিশ পিক আপের মহুড়া মানুষ কে ঘরে থাকতে বাধ্য করছে। কিন্ত প্রশ্ন সিরাজগঞ্জ মানেই কি এস এস রোড আর মুজিব সড়ক। নাকি সয়দাবাদ,শিয়ালকোল,ছোনগাছা,খোকশাবাড়ি,পিপুল বাড়িয়া,বহুলী আর কাওয়াকোলা অন্যান্য এলাকাগুলো। যদি তাই হয় তাহলে শহরসহ শহরতলীতে কঠোর অবস্থানে যেতে হবে প্রশাসনকে। গ্রামের মানুষের গোড়ামি করোনা ঝুকিতে ফেলবে পুরো শহরবাসীকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক ছবি আসছে গ্রামের হাটে বাজারের যেখানে শত শত মানুষ একদম অসচেতন ভাবে ঘুড়ছে। দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে পুলিশ ও মাঠ প্রশাসনের জোড়ালো ভুমিকা রয়েছে। তার পরেও অনুরোধ করব শহরতলীতে বিশেষ নজর দেয়ার জন্য। ঘরের সকল বেড়া খুলে দিয়ে দড়জায় পাহাড়া বসিয়ে কি চোর ঠেকানো সম্ভব ঠিক তেমনি শহরতলী উন্মুক্ত রেখে বাজার নিয়ন্ত্রন করলে কি করোনা ঝুকি রোধ সম্ভব। বিষয়টি ভাববার জন্য প্রশাসনের দৃস্টি আর্কষন করছি।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com