শিরোনামঃ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ০২-০৪-২০২০ ১২:১৫ অপরাহ্ন |
আশরাফুল ইসলাম রনি:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ২৫টি কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিরা অনেকটা ঝুঁকির মুখে চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন। করোনা পরিস্থিতিতে চিকিৎসা সেবার জন্য যে বিশেষ ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই)সহ অন্যান্য সরঞ্জাম এখনো সরবরাহ করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, জনগণের দোড়গোরায় স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দিতে সরকার চালু করেছেন কমিউনিটি ক্লিনিক (সিসি)। প্রতিটি সিসিতে রয়েছে একজন করে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)। চিকিৎসা সেবা প্রদানে সিএইচসিপিদের সরকার থেকে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, করোনা পরিস্থিতিতে সকল সরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠা ও কলকারখানা বন্ধ রয়েছে। জন্মভূমির টানে অনেকে বাড়ি ফিরেছেন। অনেকে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাউরাইল কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি শাহিন ইসলামসহ একাধিক সিএইচসিপিরা বলেন, করোনা আতঙ্কের পর সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ডিউটি দেয়া হয়েছে। আমাদের সাধারন প্রত্যান্ত এলাকার জ্বর, সর্দি ও কাশিসহ অন্যান্য রোগী দেখতে হয়। আগে প্রতিদিন যেখানে ৩৫/৪০ জন এসব রোগী হতো। এখন সেখানে ৫০/৬০ জন রোগী দেখতে হচ্ছে। ঢাকা ফেরতরাও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। এখন কে ঢাকা থেকে গ্রামে আসছে সেটা আমরা বুঝতেও পারবো না। চিকিৎসা দিতে গিয়ে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। এখন পর্যন্ত আমাদের সুরক্ষা ব্যবস্থার কোন সরঞ্জাম দেয়া হয়নি।
সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রকারভেদে বিভিন্ন অসুস্থ রোগী দেখার জন্য সরকার থেকে একটা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাছাড়া শীঘ্রই (সিএইচসিপি) তাদেরকে প্রোটেকশন পোষাক, গেøাভস, মাস্কসহ সুরক্ষার জন্য সবকিছুই দেয়া হবে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com