শিরোনামঃ
রায়হান আলী, করেসপন্ডেন্ট(উল্লাপাড়া) ২৮-০৩-২০২০ ০৪:১৭ অপরাহ্ন |
রায়হান আলীঃ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্রে,দুধ সংগ্রহ কমে যাওয়াই ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে গো-খামারিরা। কোভিট-১৯ এর প্রভাবে সারাদেশে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়াই নিয়মিত খামারিদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করছে না উল্লাপাড়ার দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্র আকিজ,প্রাণ, ব্র্যাক এবং মিল্ক ভিটা।
শনিবার সকালে উল্লাপাড়া উপজেলার লাহিড়ী মোহনপুর দেখা যায় খোলা বাজারে দুধ বিক্রি করছে খামারিরা। বাজারে দুধের চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত হওয়াতে এর মূল্য কমে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে অনেক কম দামে দুধ বিক্রি করছে খামিরা। দুগ্ধ সংগ্রহ কেন্দ্রে খামারিরা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা লিটার দুধ বিক্রি করলেও খোলা বাজারে তা বিক্রি করছে ১৫ থেকে ২৫ টাকা। হঠাৎ দুধ সংগ্রহের পরিমাণ কমে যাওয়াতে খামারিরা বিপাকে পরেছে।
মোহনপুর ইউনিয়নের সুজা গ্রামের খামারি আব্দুর রাজ্জাক জানান সারাদেশে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় গো-খাদ্যের দাম অনেক বেড়ে গেছে, কিন্তু সে তুলনায় দুধের দাম অনেক কম। যে টাকা দুধ বিক্রি হয় তা দিয়ে গো-খাদ্যের দাম হয় না।
লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়নের কোনাবাড়ি গ্রামের খামারি ফয়সাল আলী প্রাণ দুগ্ধ সংগ্রহ কেন্দ্রে দুধ বিক্রি করেন। তার খামারে প্রতিদিন ২০০ লিটার দুধ পাওয়া যায়। প্রাণ কোম্পানি তার কাছ থেকে ৩ দিন আগে সম্পন্ন দুধ নিলেও বর্তমানে দুধ নিচ্ছে মাত্র ৫০ লিটার । এতে বাকি দুধ খোলা বাজারে প্রতি লিটার ১৫ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি আরো জানান কয়দিন আগেও খোলা বাজারে দুধ ৪০ থেকে ৫০ টাকা লিটার বিক্রি হয়েছে কিন্তু ভয় আতঙ্কে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম হওয়াই চাহিদার চেয়ে তুলনায় অনেক বেশি দুধ বাজারে ওঠে, এতে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি মনে করেন আগামীতে যদি এই অবস্থা থাকেলে খামারিরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।
লাহিড়ী মোহনপুর দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্র আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেড এর পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান জানান সারাদেশে গাড়ি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়াই নিয়মিত দুধ সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। এরআগে নিয়মিত ৩২শত লিটার দুধ সংগ্রহ করা হলেও এখন একদিন পর পর ২৮শত লিটার দুধ সংগ্রহ করা যাচ্ছে।
ঠিকানা : অনামিকা কনকর্ড টাওয়ার, বেগম রোকেয়া স্মরনী, তৃতীয় তলা, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : info@sirajganjkantho.com